প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

শাহাদুল ইসলাম সাজু

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে জাল জালিয়াতি ও প্রতারক চক্রের মূলহোতাসহ গ্রেফতার ১০

   
প্রকাশিত: ৬:৩২ অপরাহ্ণ, ২১ জুলাই ২০২২

পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে কিডনি ক্রয়- বিক্রয় দালাল চক্রের তিন সদস্য এবং জাল জালিয়াতি ও প্রতারক চক্রের মূলহোতাসহ ১০জনকে গ্রেফতার করেছে জয়পুরহাট জেলা পুলিশের সদস্যরা।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে জেলা পুলিশের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে অবৈধভাবে কিডনি ক্রয়-বিক্রয় দালাল চক্রের নতুন তিন সদস্যসহ প্রতারক চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেফতারের বিষয়টি জানান, পুলিশ সুপার মাসুম আহাম্মদ ভূঞা। গ্রেফতারকৃত কিডনি ক্রয়-বিক্রয় দালাল চক্রের নতুন তিন সদস্য হচ্ছেন কালাই উপজেলার সরাইল গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে ফুল মিয়া (৪২), লক্ষিচাপড় গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে জুয়েল রানা (২৮) ও ছত্রগ্রামের মোকলেছুর রহমানের ছেলে ফিরোজ হোসেন (৩৯)। তাদেরকে বুধবার রাতে কালাই বাসষ্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের প্রতারনার স্বিকার হয়ে কিডনী বিক্রি করতে যাওয়া রায়হান ও তার স্ত্রী মোসলেমাকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ছাড়াও সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার জাল চালান ও অন্যান্য কাগজপত্র তৈরি চক্রের মূলহোতাসহ তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা হচ্ছেন জয়পুরহাট জজ কোর্টের মহুরী আজিজার রহমান (৫০), আবু নাছের মো: মাহফুজুল ইসলাম ওরফে মুরাদ ওরফে আলম বাবু ওরফে নসু বাবু (৪৫) এবং নাজমুল হক (৫৫)। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা জানান, এরা ব্যাংকের জাল সিল, কাগজ তৈরি করে আদালতে দাখিলের মাধ্যমে চেক ডিজ অনারের মামলায় জামিন নিয়ে সোহেল রানা নামে এক আসামী পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হলে ডিবি’র অনুসন্ধ্যানে জাল জালিয়াতির রহস্য বের হয়ে আসে। অনুসন্ধ্যানের ধারাবাহিকতায় ডিবি পুলিশের একটি চৌকশ টীম বুধবার রাতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই জালিয়াত চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। অপরদিকে পাঁচবিবি থানা পুলিশের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি চক্রের মূলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।

এ সময় চুরি যাওয়া তিনটি ট্রান্সফরমার উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া ট্রান্সফার চোর চক্রের সদস্যরা হচ্ছে আল আমিন (৩০), আফাজ (২৪), সাব্বির (৩২) ও মিল্টন মিয়া (৩৫)। প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করার পক্রিয়া চলছে বলেও জানান, পুলিশ সুপার মাসুম আহাম্মদ ভূঞা। মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে সদ্য পুলিশ সুপার হিসাবে পদোন্নতি প্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো: তরিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) ফারজানা রহমান, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার ইশতিয়াক আলম, পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা (ওসি) পলাশ চন্দ্র দেবসহ জেলা পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: