প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

শাহাদুল ইসলাম সাজু

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে বৃষ্টিতে মাঠ সয়লাব, আমন ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা

   
প্রকাশিত: ১১:৫৪ পূর্বাহ্ণ, ২৫ জুলাই ২০২২

বৃষ্টির অপেক্ষা আর নেই। দীর্ঘ খড়া তাপদাহের পর গত দুদিনের স্বস্তির বৃষ্টিতেই মহা ধূমধামে আমন ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলার কৃষকরা। খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে চলতি ২০২২-২০২৩ মৌসুমে ৬৯ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করেছে স্থানিয় কৃষি বিভাগ। জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় চলতি ২০২২-২৩ মৌসুমে ৬৯ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ ফলনশীল জাতের ৬৩ হাজার ৬০০ হেক্টর, হাইব্রীড জাতের ৫ হাজার ও স্থানিয় জাতের রয়েছে এক হাজার ১০০ হেক্টর। এতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ মেট্রিক টন চাল। গত দুদিনে জেলায় ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এতেই কৃষকরা মহা ধুমধামে শুরু করেছেন আমন ধানের চারা রোপন কার্যক্রম। কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আষাঢ় মাস শেষ হলেও আশানুরুপ বৃষ্টিপাত না হওয়ায় রোপা আমন চাষে কিছুটা সমস্যায় পড়তে হয় জেলার কৃষকদের।

কারন রোপা আমন ধানের চারার বয়স বেশি হলে সেই চারা রোপনে ভাল ফলন পাওয়া যাবেনা। সময় মতো আমন ধানের চারা রোপন করার স্বার্থে বৃষ্টির পানি না থাকলেও বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্বাবধানে গভীর নলকূপের সাহায্যে সেচ প্রদানের মাধ্যমে রোপা আমন ধানের চারা রোপন করেন কৃষকরা। জুন মাসের মাঝামাঝি থেকে টুকটাক চারা রোপন শুরু হলেও বৃষ্টি আশানুরুপ না হওয়ায় তা খিছুটা থেমে যায়। জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে জেলার কৃষকরা আমনের চারা রোপন কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করে।

দুদিনের বৃষ্টিতে মাঠে পানি জমে যাওয়ায় বর্তমানে চারা রোপনে কোন সমস্যা নেই। ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে চারা রোপন সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম। চলতি ২০২২-২৩ মৌসুমে রোপা আমন চাষ সফল করতে এবার ৪ হাজার হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। এবার বোরো’র বাম্পার ফলনের পরে জেলার কৃষকরা বর্তমানে রোপা আমন ধানের চারা রোপনে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে বলেও জানান তিনি।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: