প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

ডি এইচ মান্না

সিলেট প্রতিনিধি

বুলবুলকে খুন করে তিনজন, কল লিস্ট মুছে ফেলেছেন প্রেমিকা

   
প্রকাশিত: ১০:১২ পূর্বাহ্ণ, ২৭ জুলাই ২০২২

ছবি: সংগৃহীত

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বুলবুল আহমেদের হত্যার ঘটনায় তার প্রেমিকার রহস্যজনক আচরণে প্রশ্ন উঠেছে। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) রাত পৌনে ৮টার দিকে ঘটনার সময় সঙ্গে থাকা বান্ধবী মারজিয়া আক্তার উর্মিকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় পুলিশ। সেই রাতে কি হয়েছিল সেটি জানার চেষ্টা করছে।

পরিদর্শন শেষে খুনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক আমিনা পারভীন মঙ্গলবার রাতে বলেন, ওই ছাত্রী (বুলবুলের প্রেমিকা) জানিয়েছেন, তিনজন মাস্ক পরা লোক এসে বুলবুলকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত করে।

ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে থাকা এবং তার সঙ্গে ঘটনাস্থলে যাওয়া তদন্ত কমিটির এ সদস্য আরও জানান, ওই ছাত্রী তার মোবাইল ফোনের কল লিস্টও মুছে ফেলেছেন।

শিক্ষার্থীর বরাত দিয়ে তিনি বলেন- উর্মির দাবি, বুলবুল ও সে ঘটনাস্থলে বসে ছিলেন। হঠাৎ করে মাস্ক পরা ৩ ব্যক্তি সেখানে আসেন। তারা এসে বুলবুলকে একটু দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। এসময় উর্মি অন্যদিকে তাকিয়ে আশপাশে কেউ আছে কিনা দেখতে থাকে বুলবুলকে বাঁচাতে। পরে বুলবুলের দিকে তাকালে তাকে ছুরি মেরে রেখে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আজবাহার আলী শেখ, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীন, প্রক্টর ইশরাত ইবনে ইসমাইল, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, নিহত শিক্ষার্থী বুলবুলে সাথে থাকা একমাত্র সহপাঠী বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মারজিয়া আক্তার উর্মি। অসুস্থ অবস্থায় তাকে মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে রাখা হয়েছিল। তার সাথে একাধিক সহপাঠী ছিলেন। তার নজরদারিতে হাসপাতালে পুলিশও ছিল। তবে সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে কাউকে কিছু না বলে হাসপাতাল ছেড়ে চলে যান তিনি। পরে মোবাইলে থাকা কললিস্টও ডিলিট করে দেয় সে। এরপর নগরের উপকণ্ঠ বাদাঘাট থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের দিকে আসার পথে তাকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

এ ছাড়া ঘটনাস্থলে তাকে কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করার পর প্রক্টরের রুমে নিয়ে আসা হয়। সেখানেও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে কে বা কারা এ ঘটনায় জড়িত তা এখনও ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছে।

ইমদাদ/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: