প্রচ্ছদ / বিনোদন / বিস্তারিত

চার বছরের অপেক্ষা, আসিফকে ফোন করলেন ন্যান্সি

   
প্রকাশিত: ১:৫৩ অপরাহ্ণ, ৩০ জুলাই ২০২২

অবশেষে দেশের সংগীত ভুবনের জনপ্রিয় দুই তারকা আসিফ আকবর ও নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির মাঝের মান-অভিমানের অবসান ঘটলো। শনিবার (৩০ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তথ্যটি জানিয়েছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ।

তার পোস্টে আসিফ আকবর লিখেছেন, ‘একটা ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম চারটা বছর। অবশেষে এলো সেই কাঙ্খিত ফোন। হ্যালো বলতেই শুনলাম অনেক পছন্দের আদুরে কণ্ঠটি। ভাইয়া আমি ন্যান্সি বলছি… খুব ভালো লাগলো ওর ফোনটা পেয়ে। দুনিয়ার সমস্ত অভিযোগ অভিমান আমার বিরুদ্ধে, শুনে আরও ভালো লাগছিলো। ন্যান্সি তো আমার ছোট, আমিতো বড়, তাহলে আমার মিনিমাম ভুলের ম্যাক্সিমাম শাস্তি হওয়া উচিত।’

তাদের দ্বন্দ্বের অবসান নিয়ে এই গায়ক লিখেছেন, ‘নাজমুন মুনিরা ন্যান্সির কণ্ঠ আমাদের সম্পদ। আমাকে বললো ভাইয়া আমি রাগ কমিয়ে ফেলেছি, আপনিও রাগ কমিয়ে ফেলেন। সাথে সাথেই রাজী হয়ে গেলাম। অনেকদিন পর স্নেহের ন্যান্সির সাথে গল্পগানের আড্ডায় নিজেকে হালকা করে ফেলেছি। ভালো থাকো ন্যান্সি, আনন্দে বাঁচো। গান গেয়ে যাও, তোমার কণ্ঠ এ দেশের মানুষের একটা আনন্দময় ভালো লাগা, আমিও সেই দলের বাইরে নই। ভালোবাসা অবিরাম।’

ন্যান্সি ২০২০ সালে ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানায় আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি লিখেছিলেন, তার কণ্ঠ সফলতায় হিংসাত্মক মনোভাব পোষণ করে আসিফ আকবর বিভিন্ন সময়ে ইউটিউব, রেডিও ও টিভি চ্যানেলে তার বিরুদ্ধে মানহানিকর, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করেছেন। এতে তার মানহানি ও সংগীতজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এছাড়া ন্যান্সি দাবি করেন, আসিফ তার গাওয়া ১২টি গান অনুমতি না নিয়ে স্বত্ব বিক্রি করে দেন। ১২টি গানের স্বত্ব দাবি করলে রোষানলে পড়তে হয়েছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে আসিফ বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইউটিউব ও টিভি চ্যানেলে বিভ্রান্তিকর তথ্যসহ কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। পরে ন্যান্সির অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রসিকিউশন জমা দেয় পুলিশ। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক আব্দুল হাই গায়ক আসিফকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। যদিও পরবর্তী সময়ে এই মামলায় স্থায়ী জামিন পেয়েছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর।

না.হাসান/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: