প্রচ্ছদ / অন্যান্য... / বিস্তারিত

রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রথম অভিযোগ পাসপোর্ট অফিস নিয়ে, দ্বিতীয় এয়ারপোর্ট

   
প্রকাশিত: ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ, ৮ আগস্ট ২০২২

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর মিলন পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন ফরম পূরণের পর ফি জমা দিতে ব্যাংকে কেন যেতে হবে, এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সোমবার (৮ আগস্ট) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পাসপোর্ট ইস্যুতে নানা বিড়ম্বনার কথা তুলে ধরে নাতিদীর্ঘ এক স্ট্যাটাস দেন সাবেক এ আমলা।

তিনি বলেন, আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট ডেলিভারি নিয়ে বের হলাম। চিপা বিল্ডিং, চিপা সিঁড়ি, চিপা লিফট এবং মানুষ দাঁড়াবার চিপা জায়গা আর প্রচণ্ড রোদে বাইরে অসহায় মানুষগুলোর দীর্ঘ লাইন দেখে মনে হলো, পাসপোর্ট অফিস করা দরকার একটা স্টেডিয়ামের মাঝে বিশাল স্পেস নিয়ে বিশাল বিল্ডিং দিয়ে। যেখানে সার্ভিসপ্রত্যাশী সবাই সুশীতল ছায়ায় বসে কাজটি অতিদ্রুত এবং সহজেই করতে পারবে।

এখানে এই অবস্থায় নিশ্চিন্তে বলা যায়, মানুষের দুর্ভোগের সীমা নেই। বিশাল লাইনে দেখলাম নারী, বয়স্ক এবং কোলে বাচ্চা নিয়ে মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন। বসার কোনো ব্যবস্থা নেই। এটা সভ্যতার কোনো প্যারামিটার শো করে না। আর একটা বিষয় বেশ লক্ষ্যণীয়। অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন ফিল-আপ করার পর ফি জমা দিতে কেন ব্যাংকে যেতে হবে, তা বুঝলাম না। অনলাইনে অর্থ জমা দেওয়ার অনেক উন্নত ব্যবস্থা আছে আমাদের। ব্যাংক থেকে অ্যাপস, কার্ড কিংবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতিদিন শতশত কোটি টাকা জমা হচ্ছে বিভিন্ন সেক্টরে। অথচ পাসপোর্ট অফিস অনলাইনে টাকা জমা দেওয়ার ব্যবস্থা সাসপেন্ড করে রেখেছে। বিষয়টি বোধগম্য হলো না। ঠেলে ব্যাংকে পাঠানো, ডিজিটাল ব্যবস্থার সুস্পষ্ট ব্যত্যয়।

তার মতে, রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রথম অভিযোগ পাসপোর্ট অফিস নিয়ে। দ্বিতীয় এয়ারপোর্ট। দালালমুক্ত পাসপোর্ট অফিস সবার দাবি। কোনোটিই রকেট সায়েন্স নয়। মানুষের কল্যাণেই সিস্টেম। সিস্টেমের কল্যাণে মানুষ নয়।

নাঈম/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: