প্রচ্ছদ / শিক্ষা / বিস্তারিত

সরকারকে ৪৮ সময় দিলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা

   
প্রকাশিত: ৫:৫৫ অপরাহ্ণ, ৮ আগস্ট ২০২২

এক রাতের ব্যাবধানেই  দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে সরকার। হঠাৎ করে এই  জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষ। জনমণে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। এদিকে হঠাৎ করে  জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও সর্বত্র গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীরা’ ব্যানারে একদল শিক্ষার্থী ও অভিভাবক।

আজ সোমবার (৮ আগস্ট)  বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে নগরীর নীলক্ষেত মোড়ে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে সাত কলেজ আন্দোলন, হাফ পাস আন্দোলনের সদস্যরা এই কর্মসূচির আয়োজন করে। জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।

এতে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাবে উল্লেখ করে সরকারের কাছে অচিরেই  জ্বালানি তেলের দাম কামানোর দাবি করেছেন তারা। আন্দোলনকারীরা বলেন, যে গত ৫ আগস্ট রাতে ১২ টা থেকে হঠাৎ আকস্মিক জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়। যার ফলে গণপরিবহনের ভাড়াও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। যা বহন করা সাধারণের পক্ষে সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের পক্ষে এটি আরও বেশি অসম্ভব। এই তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। যা জনসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নেই।

এসময় আন্দোলনকারীরা তিন দফা দাবি জানান। সেগুলো হলো- ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বৃদ্ধিকৃত জ্বালানি তেলের দাম কমাতে হবে, এক পয়সাও গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি করা যাবে না, গণপরিবহনে ভাড়ার নামে নৈরাজ বন্ধ করতে হবে, সাথে সাথে সকল শিক্ষার্থীর হার পাস নিশ্চিত হবে।

কর্মসূচিতে সভাপতি ও সাত কলেজ আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক ইসমাইল সম্রাট বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ১১ টায়। কিন্তু তখন আমাদেরকে বড় মাইক আনতে দেওয়া হয়নি। বলা হয়েছে এখানে আমাদের অবস্থান করতে দেওয়া হবে না। আমাদের অনেকেই আসতে পারেনি। সরকার সাধারণ শিক্ষার্থীদের কেন ভয় পায়? ছাত্র ও যুবদের যৌক্তিক সভা-সমাবেশ করতে না দেওয়া হলে তারা জঙ্গিবাদসহ নানা অপরাধেক দিকে ধেয়ে পড়বে।’ তিনি আরো বলেন, আমরা শিক্ষার্থীরা সাধারণ মানুষের জীবন-যাপন স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে দাঁড়িয়েছি। আজকে এই দামবৃদ্ধি পরিবহন সমিতি ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সংঘর্ষ তৈরী করে দিচ্ছে। অবিলম্বে এসবের সমাধান করা চাই।

কর্মসূচি শেষে তারা বামজোটের ডাকা মিছিলে যোগদানের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের উদ্দেশে মিছিল নিয়ে রওনা করে। এসময় আন্দোলনরতরা, ‘তেলের দাম কমিয়ে দাও, কমাতে হবে কমাতে হবে, তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়ে আমলা পোষা বন্ধ করো’ ইত্যাদি স্লোগান দেন

রেজানুল/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: