প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

নাইমুর রহমান

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরে অশ্লিল ভিডিও ভাইরাল, শিক্ষিকাকে শোকজ

   
প্রকাশিত: ১০:৫৭ অপরাহ্ণ, ১৬ আগস্ট ২০২২

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের চাকরির শর্তাবলী রেগুলেশন (সংশোধিত) ২০১৯ এর ১৭ এর ‘ক’ ধারা অনুসারে অভিযোগ আনা হয়েছে নাটোরের এক কলেজের সমাজ কর্ম বিষয়ের প্রভাষকের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কেন নেওয়া হবে না, নোটিশ প্রাপ্তির সাত কর্ম দিবসের মধ্যে তা লিখিতভাবে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কলেজের অধ্যক্ষর নিকট জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে প্রথম কারণ দর্শানো নোটিশে। নোটিশটি মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দেওয়া হয়েছে ওই শিক্ষিকাকে।

ওই প্রভাষকের নাম নাজমুন নাহার। কলেজের প্যাডে নাসিক- ৮৪/২০২২ নং স্মারকে অধ্যক্ষ ও সভাপতি স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, ‘কলেজের গভর্নিং বডির ১৩/০৮/২০২২ তারিখের ২২৪ নম্বর সভায় ৩ নম্বর এজেন্ডায় আপনার (প্রভাষক নাজমুন নাহার) চাকরি বিধি লংঘন ও পেশাগত অসদাচরণ বিষয়ে আলোচনা হয়। আপনার বিরুদ্ধে প্রাপ্ত দুইটি অভিযোগ পত্রের সঙ্গে প্রেরিত পেন ড্রাইভে থাকা চিকিৎসক আমিনুল ইসলাম লিপনের সঙ্গে ৪০ মিনিটের পর্ন ভিডিও ও ছবি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে। এছাড়া ঐ চিকিৎসকের সঙ্গে আপনার (প্রভাষক নাজমুন নাহার) অনৈতিক যৌনাচার লিপ্ত হওয়ায় বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যেমে বিস্তারিত প্রকাশিত হয়েছে। এসব ঘটনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম চরমভাবে ক্ষুন্ন হয়েছে। চারিদিকে এই অপকর্মের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীগণ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন।

জানা যায়, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ আমিনুল ইসলাম লিপন ও নাটোর সিটি কলেজের সমাজকল্যাণ বিষয়ের প্রভাষক নাজমুন নাহার সাথীর ২৮.০৯ মিনিটের অবাধ যৌনাচারের ভিডিও মোবাইলে ভাইরাল হয়। অবাধ যৌনাচারে মিলিত হতে সহযোগিতা না করায় চলতি বছরের ৫মার্চ পরিকল্পিত ভাবে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসিয়ে কারাগারে পাঠান নাটোর জেনারেল হাসপাতালের সহকারি সেবিকা রোম্বিয়া কে। তিনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে ৩০ জুলাই নাটোরের জেলা প্রশাসক ও কলেজ পরিচালনা কমিটির নিকট লিখিত অভিযোগে বিচার দাবি করেন।

কলেজের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে নোটিশ নিয়ে প্রভাষক নাজমুন নাহারের উত্তর বড়গাছার বাসায় কলেজ থেকে পিয়নকে পাঠানো হয়। এ সময় কলেজের পিয়নের পরিচয় জেনে বাসার ভিতরে থেকেও তিনি কথা বলেলনি। পরে কলেজ থেকে ডাক বিভাগের মাধ্যেমে রেজিস্ট্রি করে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া প্রভাষক নাজমুন নাহারের ই-মেইল আইডিতে পাঠানো হয়েছে। ইমো, হোয়াটস্ অ্যাপেও পাঠানো হয়েছে।’ নোটিশ প্রাপ্তি বিষয়ে জানতে প্রভাষক নাজমুন নাহারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন সময়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: