প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

শেখ রাজেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

সরাইলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

   
প্রকাশিত: ১০:৩১ অপরাহ্ণ, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ৪র্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মুহিদ মিয়া (৪৫) একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী নিপা আক্তারকে (১২) বিদ্যালয়ের শ্রেণি ক্ষকে জুর পূর্বক ধর্ষণ করে।

ধর্ষণের অভিযোগে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ওই ছাত্রীর মামা মো. রহিম আলী বাদী হয়ে সরাইল থানা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহার, মামলার বাদী ছাত্রীর মামা ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, নিপার বাবা-মা প্রবাসে থাকে। প্রতিদিনের ন্যায় গত বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নিপা আক্তার

বিদ্যালয়ে যায়। ঐ দিন ছিল প্রচুর বৃষ্টি। বিকাল সাড়ে ৩টায় বিদ্যালয় ছুটি হয়। কিন্তু শিক্ষক মুহিদ মিয়া কৌশলে ছাত্রী নিপাকে বিদ্যালয়ে ঝারু দেওয়ার কথা বলে বাকি সবাইকে বাড়ি যেতে বলে। নিপা ও স্যারের কথামত সরল বিশ্বাসে বিদ্যালয়ে ঝারু দেওয়ার কাজ শুরু করে। এদিকে বাহিরে বৃষ্টির তীব্রতা আরো বেড়ে যায়। তখন শিক্ষক মুহিদ মিয়া দরজা বন্ধ ধর্ষণকরে।

পরে নিপা বাড়ি গিয়ে কেঁদে কেঁদে নানু কাছে ঘঠনার সবকিছু বল্লে নিপার মামা রহিম মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে নিপা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষক মুহিদ মিয়ার সাথে ০১৯১…৬১২৬/০১৭…৪৫২৪৬ এই ২টি মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে মোবাইল দুটি বন্ধ পাওয়া যায়

সরাইল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বিডি২৪লাইভকে বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে বিধি মোতাবেক আইনত ব্যবস্থা নেব।

সরাইল থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মো. আসলাম হোসেন বিডি২৪লাইভকে বলেন, ঘঠনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। মেয়ের মামা বাদি হয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। আমরা আসামি কে ধরার জন্য দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এবং অতি শীঘ্রই আসামি ধরতে সক্ষম হব।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: