প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

টিকটকে আত্মহত্যার ভিডিও বানাতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু

   
প্রকাশিত: ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

ছবি: সংগৃহীত

টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে গলায় ফাঁস লেগে মারা গেছেন পল্লব দেবনাথ (১৮) নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। এ ঘটনায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে মৃত্যুর ভিডিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘটনাটি ঘটলেও রবিবার সন্ধ্যা থেকে জানাজানি হয়।

পুলিশ জানায়, টিকটকের জন্য ২৮ মিনিটের একটি ভিডিও বানায় পল্লব। এর মধ্যে প্রথম দুটিতে সফল হয়নি। পরে তৃতীয়টিতে সে আবারও আত্মহত্যা করে এবং ভিডিও ধারণ করে। যে ভিডিওটি বানাতে সে সফল হয়, সেখানেই মারা যায় সে। সর্বশেষ মারা যাওয়ার ভিডিওটি ছিল ৫৭ সেকেন্ড। এই ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফুলগাজী থানার ওসি মো. মইন উদ্দিন। পল্লব দেবনাথের মোবাইল থেকে ভিডিওটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফেনীর ফুলগাজীর সদর ইউনিয়নের উত্তর শ্রীপুর গ্রামে মহাদেব বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পল্লব দেবনাথ কেশব নাথের ছেলে। সে মুন্সীরহাট আলী আজম স্কুল অ্যান্ড কলেজের ব্যবসায় শিক্ষা শাখার নবম শ্রেণির ছাত্র।

ফুলগাজী থানা সূত্র জানায়, রাতে তার নিজেদের দোতলা বাড়ির নিজ রুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে প্যান্টের বেল্ট ও গামছা পেঁচিয়ে টিকটকের জন্য ভিডিও তৈরি করে পল্লব। মরদেহ উদ্ধারের সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে পুলিশ। এতে টিকটক অ্যাপের ভিডিওতে তাকে দুইবার আত্মহত্যার চেষ্টা করতে দেখা যায়।

মৃত স্কুলছাত্রের বাবা কেশব নাথ জানান, শনিবার রাতে ফুলগাজী বাজার থেকেফিরে রুমের দরজা বন্ধ করে দেয়। অনেকক্ষণ দরজা বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করলেও সে দরজা খোলেনি। পরে জানালা দিয়ে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। এরপর দরজা ভেঙে তাকে নামানো হয়।

ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঈন উদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের টিকটক অ্যাপ থেকে আত্মহত্যার ভিডিওটিও পাওয়া যায়। এতে দেখা যায় দুইবার ব্যর্থ হয়ে তৃতীয়বারের চেষ্টায় মারা যায় সে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

ইমদাদ/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: