প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

জহুরুল ইসলাম

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

চাঁদাবাজির প্রতিবাদে দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন

   
প্রকাশিত: ৩:৪৯ অপরাহ্ণ, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে দলিল লেখক সমিতির ব্যানারে অবৈধ ভাবে দাতা-গ্রহীতাকে জিম্মি করে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শাহজাদপুর সাবরেজিস্টারের কার্যালয়ের সামনে নাছিম উদ্দিন মালিথা সড়কে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে ভুক্তভোগীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মোঃ সোহেল আকন্দ। এসময় শতাধিক ভুক্তভোগীকে মানববন্ধনে অংশ নিয়ে চাঁদাবাজির বিচার চেয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মানববন্ধনে উপস্থিত সোহেল আকন্দসহ একাধিক ব্যাক্তি জানান, ইতোমধ্যেই সাবরেজিস্টারের কার্যালয়ে অবৈধ ভাবে চাঁদাবাজির অভিযোগের প্রেক্ষিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিবন্ধন অধিদপ্তর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা রেজিস্ট্রারকে। গত ৬ সেপ্টেম্বর নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহা পরিদর্শক শহীদুল আলম ঝিনুকের স্বাক্ষরিত ১০.০৫.০০০০.০০৫.২২_২৫০(৬১) স্মারকে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তারা আরও বলেন, শাহজাদপুর সাবরেজিস্টারের কার্যালয়ে দলিল লেখক সমিতির ব্যানারে দাতা-গ্রহীতাকে জিম্মি করে দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্টহারে চাঁদা আদায় করে আসছে একটি চক্র। চাঁদা আদায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুদক, পাবনা জেলা কার্যালয় তদন্ত করে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ ও সমিতির প্রধান উপদেষ্টা জাহিদ হাসানের সম্পৃক্ততা পেয়ে প্রতিবেদন পেশ করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ে। বিষয়টি নিয়ে গত ৮ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের মহাপরিচালক জিয়াউদ্দিন আহমেদ ০০.০১.০০০০.১০৯.৩০.০০১.১৯-১৩১২ নং স্মারকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিবন্ধন অধিদপ্তরে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিবন্ধন অধিদপ্তর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় নিবন্ধন অধিদপ্তর থেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলেও কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না।

বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক শিমুল জানান, এ ধরনের অভিযোগ মিথ্যা। যারা মানববন্ধন করছে তারা কেউ দলিল লেখক নয়।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর সাবরেজিস্টার মোঃ সামিউল হাসান জানান, ‘দুইটি অফিসের দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়েছে। সময় না পাওয়ার কারনে কাজ এগুতে পারছি না।’ অফিসে সরকারি ফি এর বাইরে অতিরিক্ত উৎকোচ নেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন,’ এ ধরনের কিছু অফিসে হয় বলে আমার জানা নেই।

শাকিল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: