প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

হাফেজ তাকরিমকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন

   
প্রকাশিত: ৬:০৫ অপরাহ্ণ, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় আয়োজিত ৪২তম বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১১১টি দেশের ১৫৩ জনকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশের জন্য আরেকটি গৌরব বয়ে নিয়ে এসেছেন ক্ষুদে হাফেজ সালেহ আহমাদ তাকরীম। তার বয়স মাত্র ১৩ বছর।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে মক্কার পবিত্র হারাম শরিফে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ওই প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে তাকরীম। এ সময় তাকে এক লাখ রিয়াল (প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা) পুরস্কার ও সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

এ খবর জানার পর বিশ্বজয়ী তাকরীমকে অভিবাদন জানিয়েছেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমসহ ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) হাফেজ সালেহ আহমাদ তাকরিমের এমন অর্জনে শুকরিয়া জ্ঞাপন করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নিজের ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, পবিত্র মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১১১ দেশের ১৫৩ জনের মধ্যে বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে, আলহামদুলিল্লাহ। পুরস্কার হিসাবে পেয়েছে সাড়ে সাঁতাইশ লাখ টাকা। বিশ্বজয়ী কোরআনের সুমিষ্ট স্বরের পাখি হাফেজ তাকরীম কে আন্তরিক অভিনন্দন।

এর আগে লিবিয়ায় আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় হাফেজ সালেহ আহমাদ তাকরিম ৭ম স্থান অর্জন করেন। এ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় ৭ম স্থান অর্জন করার পাশাপাশি সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী হিসেবে বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেছেন। গত ২২ মে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করে, লিবিয়ার বন্দরনগরী বেনগাজিতে অনুষ্ঠিত ১০ম আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি নির্বাচিত হন।

তাছাড়া তেহরানের আন্দিশাহ (আল-ফিকির) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ৩৮তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় তাকরিম বিশ্বে ১ম স্থান অর্জন করে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা বিশ্ব দরবারে সমুন্নত করেন। উল্লেখ্য, হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিমের বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ভাদ্রা গ্রামে। তার বাবা হাফেজ আব্দুর রহমান মাদরাসার শিক্ষক এবং মা গৃহিণী।

ইমদাদ/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: