প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

শিপন সিকদার

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

মঞ্চেই নেতাদের মারামারি, নীরবে দেখলেন রিজভী

   
প্রকাশিত: ১১:১২ অপরাহ্ণ, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র বিক্ষোভ সমাবেশে মঞ্চে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্যের সময় মঞ্চে মারামারিতে মেতে উঠেছিলেন দলটির নেতাকর্মীরা। এসময় মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে রূপগঞ্জের এক নেতাকে ধাক্কা দিয়ে নিচে নামিয়ে দেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। এ সময় রিজভী বক্তব্য থামিয়ে নীরবে তাদের ঝগড়া দেখছিলেন। পরে পরিস্থিতি সামাল দেন স্থানীয় নেতারা। একবার নয়, মঞ্চে দুই দফায় নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি করেছেন।

একই দিন মঞ্চে উঠাকে কেন্দ্র করে ফতুল্লা থানা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদের সাথে বাহাসে লিপ্ত হয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে ফতুল্লা থানা যুবদলের অন্য নেতাকর্মীরা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দিকে তেড়ে আসলে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি উভয় পক্ষকে শান্ত করেন।

জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের যুবদল নেতা শাওন প্রধান হত্যা, মুন্সীগঞ্জ ও ভোলা পুলিশের গুলিতে নেতাকর্মীদের হত্যা ও আহত করা এবং জ্বালানি তেল, পরিবহন ভাড়াসহ দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে দেশ ব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষনা করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি গতকাল চাষাড়া শহিদ মিনারে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে। শনিবার বিকেল ৩টা থেকে শুরু হয় সমাবেশ।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। এ সময় শহিদ মিনারে কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে নিজেদের শো-অফ করতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য দিপু ভূঁইয়ার সমর্থক এক কর্মী রিজভীর বক্তব্যের সময় মঞ্চের মাঝখানে এসে দাঁড়িয়ে যান।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা। তখন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান ওই নেতাকে মঞ্চের মাঝখান থেকে সরে দাঁড়াতে বলেন। কিন্তু তিনি সরছিলেন না। তখন সাখাওয়াত তার হাত টেনে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে মঞ্চে এমন হট্টগোল ও মারামারি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পীড়া দিয়েছে।

যদিও বিষয়টিকে মারামারি মানতে নারাজ এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। তিনি বলেন, মঞ্চের মাঝে এসে একজন দাঁড়িয়েছিলেন। তাকে আমরা কেউ চিনি না। তাকে মাঝখান থেকে সরিয়ে দিয়েছি। তখন পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়।

শাকিল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: