প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

শেখ রাজেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ, অ্যাম্বুলেন্সে চালক গ্রেফতার

   
প্রকাশিত: ৯:২১ পূর্বাহ্ণ, ৩ অক্টোবর ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে জীবন মিয়া (৩২) নামে এক অ্যাম্বুলেন্সচালককে গ্রেফতার করেছে সদর মডেল পুলিশ। ওই কিশোরীকে অ্যাম্বুলেন্স করে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে থানায় করা মামলা সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরী (১৩) তার নানির সঙ্গে জেলার সরাইল উপজেলার দেওড়া গ্রামে বসবাস করে। বর্তমানে নানি-নাতনি জেলা শহরের পশ্চিম মেড্ডায় পৃথক বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন। শনিবার (১ অক্টোবর) ভোরে পশ্চিম মেড্ডায় কিশোরী বাসা থেকে বের হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল।

এ অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সচালক জীবন জোর করে তাকে তুলে নেন। সেখান থেকে পৌর এলাকার পশ্চিম পাইকপাড়ায় বোডিং মাঠ এলাকায় এনে তাকে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর পরই ওই এলাকায় অন্য একটি অভিযানে বের হয় সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ইব্রাহিম আকন্দ। এসময় প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে পেয়ে বিষয়টি জানালে, তাদের সহায়তায় জীবনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার জীবন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার পশ্চিম মেড্ডার শাহবুদ্দিনের ছেলে। রোববার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম আকন্দ বিডি২৪ লাইভকে এ তথ্য জানান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম আকন্দ বলেন, আমি একটি চুরির মামলার বিষয়ে ওই এলাকায় গিয়েছিলাম। এসময় ১৩/১৪ বছরের তিন কিশোর আমাকে জানায়, একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে একটি মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে গেছে। তাদের সহযোগিতায় প্রথমে অ্যাম্বুলেন্সচালককে আটক করি, পরে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, কিশোরীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধারের পরই ধারণা করা হচ্ছিল তাকে যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে। পরে সে জানায় অ্যাম্বুলেন্সচালক তাকে দুইবার ধর্ষণ করেছে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরাও জানান শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। দুপুরে শিশুটির নানি বাদী হয়ে থানায় মামলা করলে অভিযুক্তকে বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আলামত হিসেবে অ্যাম্বুলেন্সটি জব্দ করা হয়েছে।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: