আবারো চিনির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

   
প্রকাশিত: ১২:৪২ অপরাহ্ণ, ৩ অক্টোবর ২০২২

বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই লাগামহীন। আর এই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মাঝেই নীরবে দাম বাড়ছে আরেক অত্যাবশ্যক পণ্য চিনির। সরকার চিনির যে দর নির্ধারণ করে দিয়েছে, তা কিছুতেই মানছেন না ব্যবসায়ীরা। ফলে বাজারে নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছে। সম্প্রতি সরকার নির্ধারিত দর না মেনে চিনি উৎপাদন ও বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর সমিতি বাংলাদেশ সুগার রিফাইনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে নতুন করে দাম নির্ধারণের আবেদন জানিয়েছে। তারা বলছে, সরকার যে দর নির্ধারণ করেছে, সেই দামে চিনি বিক্রি করলে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।

সম্প্রতি চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকেও (বিটিটিসি)। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন এ সংস্থা দর পর্যালোচনা করে। কমিশনের চেয়ারম্যান মাহফুজা আখতার বলেন, চিনি বিপণনকারীদের আবেদন তাঁরা পেয়েছেন। আবেদনটি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এর আগে ট্যারিফ কমিশন গত ২২ সেপ্টেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে চিনির দাম বেঁধে দেওয়ার কথা জানায়। এতে উল্লেখ করা হয়, প্রতি কেজি পরিশোধিত খোলা চিনি ৮৪ টাকা ও পরিশোধিত প্যাকেটজাত খোলা চিনির দাম ৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে এ দাম কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। নতুন দামের চিনি খুচরা বাজারে আসতে সপ্তাহখানেক সময় লাগার কথা। তবে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাড়া-মহল্লার খুচরা দোকানে প্রতি কেজি খোলা চিনি ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বড় বাজারে কিছুটা কম দামে প্রতি কেজি ৮৮ টাকায় পাওয়া যায়। প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি করা হচ্ছে ৯৫ টাকা কেজি দরে।ফলে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি কেজি চিনিতে ক্রেতাদের বেশি দিতে হচ্ছে চার থেকে ছয় টাকা।

রেজানুল/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: