প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

মোবাইলের লক খুলতে গিয়ে ধরা ডাকাত

   
প্রকাশিত: ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ, ৪ অক্টোবর ২০২২

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরমন্ডল গ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত চার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে স্বর্ণালঙ্কারসহ লুণ্ঠিত মালামাল ও বিপুল পরিমানে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। গতকাল সোমবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাহফুজ্জামান আশরাফ নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (২ অক্টোবর) দিনগত গভীর রাতে চরমন্ডল গ্রামের রানিরহাট এলাকায় গেট ভেঙে ব্যবসায়ী আবদুল কাদের পাটওয়ারীর বাড়িতে ঢোকে ডাকাতরা। একপর্যায়ে তারা অস্ত্রের মুখে সবার মুখ বেঁধে ৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ টাকা, মোবাইল ফোন নিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল করে ঘটনাটি জানান।তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুহাম্মদ কাওসারুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে সোমবার সকালে চরমন্ডল এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় একটি দোকানে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোনের লক খোলার চেষ্টা করছিলেন মিয়াদ হোসেন রাব্বি নামের একজন। বিষয়টি দেখে পুলিশ কর্মকর্তার সন্দেহ হয়। পরে মোবাইলটি হাতে নিয়ে ভুক্তভোগী আবদুল কাদেরকে কল দিয়ে পাসওয়ার্ড নেন তিনি।

পরবর্তীতে পাসওয়ার্ড দিতেই মোবাইলের লক খুলে যায়। জিজ্ঞাসাবাদে প্রথমে মোবাইলটি কুড়িয়ে পেয়েছে বলে জানান রাব্বি। পরে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখালে ডাকাতির বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি।এসআই কাউসারুজ্জামান জানান, রাব্বির তথ্যের ভিত্তিতেই আজাদ ডাকাত ওরফে চশমা আজাদকে আটক করা হয়। পরে আটক দুজনের তথ্যমতে মো. টুটুল ও আলম হোসেন প্রকাশ খোরশেদকে আটক করা হয়। এরমধ্যে খোরশেদ রায়পুরের কেরোয়া ইউনিয়নে ডাকাতির ঘটনায়ও জড়িত। পরে মামলা দিয়ে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। গ্রেফতার রাব্বি সদর উপজেলার চরমন্ডল গ্রামের ওমর ফারুক, আজাদ পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামের লুৎফুর রহমান, টুটুল একই এলাকার মৃত সুজা মিয়া এবং খোরশেদ রায়পুর উপজেলার পূর্ব কেরোয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।

লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ডাকাতির সঙ্গে সাতজন জড়িত ছিলেন। এদের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার আজাদ খুনসহ একাধিক ডাকাতি মামলার আসামি। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) পলাশ কান্তি নাথ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মংনেথোয়াই মারমা, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল, ডিআইওয়ান একেএম আজিজুর রহমান মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রেজানুল/সা.এ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: