কামরুল হাসান অভি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ইউজিসির এপিএ মূল্যায়নে রাবির অবস্থান তলানিতে

   
প্রকাশিত: ৫:৫৯ অপরাহ্ণ, ৪ অক্টোবর ২০২২

২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এতে দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এ তালিকায় ১৯.৯০ স্কোর পেয়ে ৪৪ তম হয়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

ইউজিসির সূত্রে জানা যায়, ছয়টি বিষয়ে ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। কৌশলগত উদ্দেশ্যে ৭০ নম্বর, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনায় ১০, ই-গভর্ন্যান্স বা উদ্ভাবন পরিকল্পনায় ১০, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনায় চার, সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি কর্মপরিকল্পনায় তিন এবং তথ্য অধিকার কর্ম পরিকল্পনায় তিন নম্বর ছিল।

এবারের ফলাফল অনুযায়ী, ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ৯৯.৪৭ পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম, ৯৮.৪৮ পেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয়, ৯৩.৭৫ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পেয়ে তৃতীয়, ৮৯.২২ পেয়ে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।

এছাড়াও এ তালিকায় ৮৬.৮ স্কোর পেয়ে পঞ্চম অবস্থানে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ৮৫.২০ পেয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ৮৫.০২ পেয়ে যৌথ ভাবে সপ্তম অবস্থানে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ৮১.১৫ পেয়ে অষ্টম অবস্থানে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯.৯০ স্কোর পেয়ে ৪৪তম পজিশনে রয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এদিকে তালিকার ১৪.৩৯ পেয়ে ৪৫ তম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও ১১.৪৭ পেয়ে ৪৬ তম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

এর আগে গত শনিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয় ও প্রশাসন বিভাগের সচিব ড. ফেরদৌস জামান সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এপিএ মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ করে ইউজিসি।

ইউজিসির কর্মসম্পাদন চুক্তিতে মূল্যায়নে পিছিয়ে থাকার কারণ জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, ‘আসলে এ বিষয়টা কোষাধ্যক্ষ ও রেজিস্ট্রার দেখে থাকেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন যে স্ট্রাকচারে যে রিপোর্টগুলো চেয়েছিলো সেভাবে সংযোজন করা হয়নি। যার ফলে কর্মসম্পাদনে এসব রিপোর্ট না থাকায় মূল্যায়িত হয়নি। যেটা অত্যন্ত দুঃখজনক ব্যাপার। কারণ আমরা অনেক কাজ করতেছি সেটা যদি মূল্যায়িত না হয় সেটা খুব কষ্টের। ইতিমধ্যে আমি উপাচার্য সাথে কথা বলেছি এবং পরবর্তীতে আমরা এ বিষয়টা আমরা অনেক গুরুত্ব দিয়ে দেখব। কাজের স্বীকৃতি আমাদের অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে।’

প্রসঙ্গত, সেবায় গতিশীলতা আনয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে সরকার ২০১৪-১৫ সালে দেশে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) চালু করে। এর মাধ্যমে সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত, সক্ষমতার উন্নয়ন, সব স্তরের কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়ন সহজ হবে।

সালাউদ্দিন/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: