প্রচ্ছদ / বিনোদন / বিস্তারিত

আমরা নাকি নোংরামি করছি: সুদীপ

   
প্রকাশিত: ৪:০০ অপরাহ্ণ, ৬ অক্টোবর ২০২২

ওপার বাংলার সিনেমার জনপ্রিয় মুখ অভিনেতা সুদীপ মুখার্জি। নিজের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারের বাইরে ব্যক্তিগত জীবনকে ঘিরেও বর্তমানে আলোচনায় তিনি। কারণ ৪৪ বছর বয়সী এই অভিনেতা হাঁটুর বয়সী নায়িকা পৃথা চক্রবর্তীর সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। এ নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে এই দম্পতি খুব ভালো সময় পার করছেন। এ খবর বহুবার জানিয়েছেন তারা।

কয়েক দিন আগে সুদীপ মুখার্জির জন্মদিন ছিল। এদিন স্বামীকে চুমু খাওয়ার একটি ছবি নিজের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে প্রিয় মানুষকে শুভেচ্ছা জানান পৃথা। তাতে দেখা যায়, কোনো একটি রেস্তোরাঁ বা কনভেনশন হলে দুজন দুজনকে চুমু খাচ্ছেন। নেটিজেনদের অনেকে মন্তব্য করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কিন্তু একাংশের ট্রলের মুখে পড়েন পৃথা। এ নিয়ে এখনো আলোচনা বন্ধ হয়নি। এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন সুদীপ মুখার্জি।

ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে সুদীপ মুখার্জি বলেন, ‘পৃথার যে ছবিটি নিয়ে ট্রোল হচ্ছে সেই ছবিতে ভাবনার চেয়েও অনেক বেশি ভিউস। কিন্তু যারা ট্রোল করছে তাদের ভাষায় যে সমস্ত ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা দিচ্ছি তা কিন্তু কেউ দেখছে না। একটা মানুষের একটা দিক। সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলেই নীতি পুলিশ। তাদের কারো প্রতি দায়বদ্ধতা নেই। যারা নেটপাড়ায় সংস্কৃতির কথা বলছেন তারা কি সত্যিই ভারতীয় সংস্কৃতির কথা জানেন?’

নেটিজেনদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে সুদীপ বলেন, ‘একটি পাবলিক ফোরামে অকথ্য কুকথা বলে কিছু মানুষ দাবি করছেন, আমরা নাকি নোংরামি করছি! আমার প্রশ্ন তাদের এই ব্যবহার আদতে কতটা সভ্য? এটা কৃতদাস মানসিকতার প্রতিফলন। অন্যের ক্ষতি করে, তাকে কুকথা শুনিয়ে শান্তি পাওয়া দাস মনোভাবের প্রতিফলন। পৃথা আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেলে— যারা অপসংস্কৃতি বলছেন তাদের কি মনে হয় ভালোবাসাটা অপসংস্কৃতি? আর যে ব্যক্তি কুকথা বলে চলেছেন সেগুলো সংস্কৃতি!’

বেশ কিছু উদাহরণ টেনে সুদীপ বলেন—‘রাস্তাঘাটেও নীতিপুলিশ সক্রিয়। অনেক সময় রাস্তায় যুগলদের হেনস্তা করা হয়। এমন আচরণ করা হয় যেন, তারা কোনো অন্যায় করেছেন। অথচ যারা চুরি-ডাকাতি করে ফাটিয়ে দিচ্ছে, তাদের মাথায় করে রাখা হয়। আমার মনে হয়, মানুষের মধ্যে শিক্ষা জাগাটা প্রয়োজন। দেশের ইতিহাস ফিরে দেখুন।’

সুদীপ মুখার্জি ও পৃথার বয়সের পার্থক্য ২৪ বছরের। তাই অসম এই বিয়ে নিয়ে নানাজন নানা মন্তব্য করেছিলেন। অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন—সুদীপের টাকা দেখে বিয়ে করেছেন পৃথা। এ বিষয়ে পৃথা বলেছিলেন—‘কোনো অল্প বয়সী পুরুষের মধ্যে মনের মানুষকে খুঁজে পাইনি। আর সুদীপের টাকা থাকলেও, আমি টাকার জন্য ওকে বিয়ে করিনি।’

না.হাসান/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: