প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

সেন্টমার্টিনের জাহাজে প্রথম দিনেই অসুস্থ দুই শতাধিক পর্যটক!

   
প্রকাশিত: ১০:২০ পূর্বাহ্ণ, ৭ অক্টোবর ২০২২

সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজে প্রথম দিনেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুই শতাধিক মানুষ। কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন যাত্রার প্রথম দিনেই এমন পরিস্থিতিতে হতাশ যাত্রীরা। জাহাজের সেবার মান ও পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন যাত্রীরা। পর্যটকদের অভিযোগ, জাহাজটিতে দুর্গন্ধ এবং এসি কাজ না করায় তাদের গণহারে বমি শুরু হয়। এতে অসুস্থ হয়ে পড়েন দুই শতাধিক পর্যটক।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৭টার দিকে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়ার বিআইডব্লিওটি ঘাট থেকে ৭৫০ জন যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রা করে ‘কর্ণফুলী এক্সপ্রেস’ নামের একটি জাহাজ। তবে আসার সময় ফিরেছেন মাত্র ৩০-৫০ জন যাত্রী । জাহাজটি বেলা ১২টায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে পৌঁছার কথা থাকলেও পৌঁছেছে দুপুর ১টায়।

জাহাজে থাকা এক যাত্রী বলেন, জাহাজটি যাত্রা শুরুর পর থেকে পর্যটকরা চরম অস্বস্থিতে ভোগেন। জাহাজের সবকিছু খুব বাজে অবস্থা ও নোংরা ছিল। এছাড়াও জাহাজটি যাত্রা শুরুর পর থেকে সাগর উত্তাল থাকায় জাহাজে একটু অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ছিল।

অন্যদিকে জাহাজটির এসি ভালোভাবে কাজ করছিল না। জাহাজে দুর্গন্ধ ছিল। সবমিলিয়ে অসংখ্য পর্যটক বমি করতে শুরু করে। বমি আর বমিতে একাকার হয়ে ওঠে জাহাজ। এ সময় অনেক পর্যটক অসুস্থ হয়ে জাহাজে শুয়ে পড়ে, শিশুরা কান্নাকাটি শুরু করে। জাহাজটিতে এক ভয়ানক পরিস্থিতি তৈরি হয়।

জাহাজের যাত্রী কেফায়েত উল্লাহ বলেন, বমি করতে করতে শেষ। চরম বাজে অবস্থা ছিল জাহাজটিতে। তারা টাকা নিয়ে মানুষের সঠিক সেবা দিতে পারছে না। কেফায়েত বলেন, জাহাজটি বিকেল সাড়ে ৩টায় দ্বীপ থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। যাওয়ার সময় সাড়ে ৭ শ পর্যটক থাকলেও ফিরেছে কেবল ৩০ থেকে ৫০ জন। অতিরিক্ত ভোগান্তির কারণে অনেক পর্যটক ফিরে আসার কথা থাকলেও ফেরেনি।

এমভি কর্ণফুলি জাহাজের কক্সবাজার অফিসের ইনচার্জ হোসাইনুল ইসলাম বাহাদুর জানান, আমি কক্সবাজারে রয়েছি। জাহাজে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা না থাকলে বমি হওয়াটা স্বাভাবিক।

বাহাদুর আরও জানান, জাহাজে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল। দুর্গন্ধ ছড়ানোর বিষয়টি সত্য নয়। তবে দীর্ঘদিন পর জাহাজটি চালু করাতে এসিসহ যান্ত্রিক কিছু ত্রুটি ছিল।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের এসপি জিল্লুর রহমান বলেন, জাহাজে কিছু পর্যটকের অসুবিধার বিষয়টি জেনেছি। খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। আমরা ব্যপারটি বিস্তারিত জেনে পরে জানাতে পারি।

না.হাসান/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: