প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

‘ভোজ্যতেলের আমদানি অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে’

   
প্রকাশিত: ৫:১৪ অপরাহ্ণ, ১৩ অক্টোবর ২০২২

ছবি: ইন্টারনেট

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আগামী তিন বছরে ভোজ্যতেলের আমদানি কমিয়ে আনব। দেশে তেল ফসলের উৎপাদন বাড়াবো। এখন ৯০ শতাংশ ভোজ্যতেল আমদানি করতে হয়। আমরা এই আমদানি ৪০-৫০ শতাংশে নামিয়ে আনতে চাই। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘বিদ্যমান শস্য পদ্ধতিতে তৈলবীজ অন্তর্ভুক্তি এবং উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, যে দেশের রপ্তানি আয় ৫০ বিলিয়ন ডলার, সে দেশকে ভোজ্যতেল আমদানিতে ব্যয় করতে হয় ২ বিলিয়ন ডলার। এটা বিস্ময়কর। ভোজ্যতেলের দাম বাড়লে তা রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিদেশি সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল নয়, নির্ভরশীলও থাকবে না। দেশে অবশ্যই চালের দাম বেড়েছে। গমের দাম বাড়লে মানুষ বেশি ভাত খায়। ফলে চালের দাম বাড়ে। এছাড়া রোহিঙ্গাদেরও দেশের ভাত খাওয়াতে হয়।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, করোনা মহামারী এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সবকিছুই অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করেছে। চালের দাম বাড়ায় মানুষ দুর্ভোগে পড়লেও দেশে খাদ্যের অভাব নেই। এর আগে এই সময়ে অনেক জায়গায় মঙ্গা ব্যবহার করা হলেও গত ১৩ বছরে অনাহারে মৃত্যুর কোনো ঘটনা ঘটেনি।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিআরআই) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। কৃষি সচিব সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

আশরাফুল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: