প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

শাহাদুল ইসলাম সাজু

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে পরিবহন ধর্মঘটে যাত্রীরা বিপাকে

   
প্রকাশিত: ১:৫৮ অপরাহ্ণ, ১ ডিসেম্বর ২০২২

সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধন, মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল বন্ধ এবং পুলিশের হয়রানি বন্ধ করাসহ ১০ দফা দাবিতে রজশাহী বিভাগের অন্যান্য জেলার মতো জয়পুরহাটেও ধর্মঘট চলছে। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা থেকে যাত্রীবাহী এবং পণ্যবাহী সব যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে জয়পুরহাট সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক পরিষদ।
আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহী গণসমাবেশে যেন মানুষ না যেতে পারে সেজন্যেই সরকারি মদদে এই পরিবহন ধর্মঘট উল্লেখকরে জয়পুরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ রানা প্রধান বলেন, বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশ ঠেকাতে ইতোমধ্যে শত শত নেতাকর্মীদের নামে পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে মিথ্যা মামলা করে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করছে। একইসঙ্গে পরিবহন ধর্মঘট ডেকে সাধারণ মানুষদের অসুবিধায় ফেলছে। ধর্মঘট দিয়েও গণসমাবেশে মানুষের উপস্থিতি কমাতে পারবে না।

রাজশাহী বিভাগীয় সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক পরিষদ সাংগঠনিক কমিটির কার্যকরী সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, ১০ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধন করতে হবে, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে মহাসড়ক বা আঞ্চলিক মহাসড়কে থ্রি-হুইলার (নছিমন, করিমন, ভটভটি, সিএনজি ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ইত্যাদি) চলাচল বন্ধ করতে হবে, জ্বালানি তেল ও যন্ত্রাংশের মূল্য হ্রাস করতে হবে, করোনাকালে গাড়ি চলাচল না করায় সে সময়ে ট্যাক্স মওকুফ করতে হবে, সব ধরনের সরকারি পাওনাদির (ট্যাক্স-টোকেন, ফিটনেস) অস্বাভাবিক বৃদ্ধি বন্ধ করতে হবে, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স-সংক্রান্ত নানাবিধ জটিলতা নিরসন করতে হবে, পরিবহনের যাবতীয় কাগজ হালনাগাদ বা সঠিক থাকার পরও নানাবিধ পুলিশি হয়রানি বন্ধ করতে হবে, উপজেলা পর্যায়ে বিআরটিসি চলাচল দ্রুত বন্ধ করতে হবে, মহাসড়কে হাট-বাজার আয়োজন বা পরিচালনা করা যাবে না এবং চলমান হাটবাজার অতি দ্রুত উচ্ছেদ করতে হবে, যাত্রী ওঠানামার জন্য পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে এবং প্রত্যেক জেলায় ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ ও ট্রাক ওভারলোড বন্ধ করতে হবে।

শাকিল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: