নির্বাচন কমিশনের সম্মতিতে আট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বদলি করল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) ইসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ইসি সূত্র জানায়, নির্বাচন তফসিল ঘোষণার পর কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে বদলি করতে হলে নির্বাচন কমিশনে সম্মতি প্রয়োজন হয়। এর প্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আমাদের কাছে তালিকা পাঠালে তা সম্মতি দেয় ইসি। এক্ষেত্রেও আট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বদলির বিষয়ে ইসি সম্মতি দিয়েছে।
গত ২০ জানুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে জানা যায়, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তাগণকে তাদের নামের পাশে বর্ণিত উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হলো।
যে আট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বদলি হলেন-
১. পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহানকে চরফ্যাশনের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা করা হয়েছে। ২. জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মো. আল-আমীনকে বদলি করে নগরকান্দাতে দেওয়া হয়েছে। ৩. রেহেনা আক্তারকে বদলি করে ভান্ডারিয়া থেকে দেওয়া হয়েছে ধুনটে। ৪. বাহুবদ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা লিটন চন্দ্র দে কে বদলি করে দেওয়া হয়েছে জীবননগর উপজেলায়। ৫. প্রীতিলতা বর্মনকে ধুনট উপজেলা থেকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে বাহুবল উপজেলায়। ৬. নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহরাজ শারবীনকে বদলি করা হয়েছে কলমাকান্দা উপজেলায়। ৭. মাসুদুর রহমানকে বদলি করে কলমাকান্দা উপজেলা থেকে দেওয়া হয়েছে ভান্ডারিয়া উপজেলায় আর চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা। ৮. মো. লোকমান হোসেনকে বদলি করা হয়েছে পাথরঘাটা উপজেলায়।
এতে আরও বলা হয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে ন্যস্তকৃত কর্মকর্তাগণকে তাদের নিজ অধিক্ষেত্রে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section-144 এর ক্ষমতা অর্পণ করা হলো।
বর্ণিত কর্মকর্তাগণ আগামী বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারির মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবেন, অন্যথায় আগামী বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি অপরাহ্নে
বর্তমান কর্মস্থল হতে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (Stand Released) বলে গণ্য হবেন। নির্বাচন কমিশনের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মাসুম/সাএ
সর্বশেষ খবর