আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-১ ( ভূরুঙ্গামারী -নাগেশ্বরী) আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোট (ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ) ও জামায়াত ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরামহীন প্রচার-প্রচারণায় গ্রাম-গঞ্জে অবিরাম ছুটে চলছেন তিনি।
কুড়িগ্রাম-১ আসনে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে মরিয়া ১১ দলীয় জোটের নেতা কর্মীরা। এ লক্ষ্যে জোট কর্মীরা সকাল থেকে মধ্যে রাত অবধি মাঠে-ময়দানে চষে বেড়াচ্ছেন। বিজয় নিশ্চিত করতে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দিতে নারাজ জামায়াত ইসলামী ও তার জোট।
সোমবার (২৬ জানুয়ারী) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের দোয়ারে দোয়ারে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলামসহ জোট কর্মীরা। বিকেলে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সদরের থানা রোডে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করেন। সন্ধ্যায় শিলখুড়ি ইউনিয়নের পাগলারহাট বাজারে পথসভা, রাত ৮ টায় তিলাই ইউনিয়নের ধামেরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে জনসভা, রাত ৯ টায় পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট বাজারে জনসভা ও রাত ১০ টায় ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের পথসভায় অংশ গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি সদর উপজেলার খৈবর মোড়ে আলোচনা সভা, বলদিয়া বাজার, কাশিম বাজার ও সাধু মোড়ে পথসভা করেন। প্রতিটি পথ ও জনসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।
গণসংযোগের সময় উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অধ্যাপক অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমি আপনাদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। উন্নয়নের মিথ্যা আশ্বাস আমি আপনাদেরকে দিবো না। তবে এতটুকু ওয়াদা আমি দিতে পারি আমি যদি আল্লাহর রহমতে নির্বাচীত হই তবে নিজে দূর্নীতি করবো না এবং অন্যকেও করতে দিবো না। রাস্তা ঘাট, সেতুসহ উন্নয়ন বরাদ্দ যা আসবে তা জন সম্মুখে প্রকাশ করা হবে। কালিগঞ্জ ঘাটে দুধকুমার নদের উপর একটি সেতু এবং সোনাহাট স্থলবন্দর ও কচাকাটার মাঝামাঝি একটি ৩০ শষ্যার হাসপাতাল করার আশ্বাস দেন তিনি। এছাড়াও এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন,বেকারত্ব দূরীকরণ এবং মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস মুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত করবেন বলে ভোটারদের এ প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
গণসংযোগ, নির্বাচনী প্রচারণা ও অফিস উদ্বোধন কালে সঙ্গে ছিলেন, কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমির আজিজুর রহমান সরকার স্বপন, উপজেলা জামায়াতের আমির আলহাজ আনোয়ার হোসেন, এনসিপির উপজেলার মুখ্য স্বমন্নয়ক মাহফুজুল ইসলাম কিরণ, সাবেক উপজেলা আমির মাওলানা রুহুল আমিন হামিদী, উপজেলা সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আরিফুল ইসলামসহ ১০ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সহ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর