• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৩০ সেকেন্ড পূর্বে
ফরিদুল ইসলাম রঞ্জু
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৩:৩৩ দুপুর

ঠাকুরগাঁওয়ে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি সব প্রার্থী

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কোনো পদ নেই’এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের প্রার্থীদের নিয়ে ‘জনগণের মুখোমুখি’ নামে এক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

বৃহস্পতিবার জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার মিনি স্টেডিয়ামে মুক্ত মঞ্চে সুজন জেলা কমিটির উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সরাসরি জনগণের সামনে হাজির করে তাদের পরিকল্পনা শোনা এবং ভোটারদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সুযোগ করে দিতেই এই আয়োজন।

সুজনের ঠাকুরগাঁও জেলা ফ্যাসিলেটেটর হাসান বাপ্পি’র সার্বিক সহযোগিতায় ও সুজনের ঠাকুরগাঁও জেলার সাধারন সম্পদক শাহ মো: নাজমুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজনের পীরগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি নসরতে খোদা রানা। অনুষ্ঠানে পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নাগরিক উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ঠাকুরগাঁও–৩ আসনে বিভিন্ন দলের ১০ প্রার্থী নির্বাচন করছেন।

অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও -৩  আসনের দশ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী একই মঞ্চে উপস্থিত হয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের সূচনা করেন। প্রার্থীরা হলেন বিএনপি মনোনিত প্রার্থী জাহিদুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী মনোনিত প্রার্থী মিজানুর রহমান, গণ অধিকার পরিষদের মামুনুর রশিদ, জাতীয় পার্টির হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ এর এস এম খলিলুর রহমান সরকার, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ মাইনোরিটি জনতা পার্টির কমলা কান্ত রায়, ইসলামী আন্দোলনের আল আমিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রভাত সমীর শাহাজাহান আলম ।

অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রার্থী মো. জাহিদুর রহমান বলেন, উন্নয়নের পূর্বশর্ত যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ। এলাকায় অনেক রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়েছে। কিছু রাস্তা বাকি রয়েছে। বিদ্যুৎ প্রায় গ্রামেই চলে গেছে। এখন এই এলাকায় দরকার শিল্পকারখানা স্থাপন করা। স্থানীয় এমন লোকজন নেই, যাঁরা এলাকায় কলকারখানা স্থাপন করতে পারেন। বড় বড় শিল্পকারখানা স্থাপনের জন্য বাইরে থেকে উদ্যোক্তাদের দাওয়াত দিয়ে এখানে নিয়ে আসা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জাতীয়করণ করা হবে। সব দল মিলেমিশে কাজ করলে পীরগঞ্জ–রানীশংকৈলের উন্নয়ন হবে।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘জুলাই সনদের আলোকেই চলতে চাই। এই এলাকা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত করতে চাই। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু যে উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল, তা এলাকায় হয়নি। এই এলাকার কৃষক তাঁর পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান না। কৃষকের ফসল আমাদের সরকার কিনে নেবে। সেসব ফসল সংরক্ষণে যে পরিমাণ গুদাম দরকার, তা তৈরি করা হবে। এই ফসল সরকার বাজারজাত করবে। এলাকার দুটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। এখানে দুরারোগ্য রোগের চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মিনি হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে। বেকার যুবকদের চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।’

জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ‘পীরগঞ্জ–রানীশংকৈল অবহেলিত এলাকা ছিল। এই এলাকাকে একটি অবস্থায় নিয়ে আসতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচিত হলে এলাকার গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন কৃষিভিত্তিক কারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেবেন, যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। শিক্ষার মানোন্নয়নসহ এলাকার সামাজিক নিরাপত্তা, তরুণদের সঠিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে মাদক থেকে দূরে রাখব।’

গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমি জয়ী হলে পীরগঞ্জ–রানীশংকৈল উপজেলায় তিনটি শিল্পকারখানা স্থাপন করব। অবহেলিত এলাকায় সেচের ব্যবস্থা কবর। রানীশংকৈল ডিগ্রি কলেজকে সরকারি করা হবে। তরুণ যুবকদের মাদক থেকে দূরে রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আল আমিন বলেন, ‘নির্বাচিত হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন করব। এই আসনে যে দুটি সরকারি হাসপাতাল রয়েছে, সেগুলো প্রাইভেট ক্লিনিকের চেয়েও উন্নত করা হবে। নারীদের দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাব।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. আশা মনি বলেন, ‘নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করব। সীমান্ত এলাকার সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হবে। এখানে স্থলবন্দর স্থাপন করার চেষ্টা করব।’

এ ছাড়া বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী এস এম খলিলুর রহমান সরকার, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির কমলা কান্ত রায়, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আবুল কালাম আজাদ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

সুজনের জেলা সভাপতি আবদুল লতিফ বলেন, এ আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে সমন্বয় করা। প্রার্থীরা সুজনের অঙ্গীকারনামার সঙ্গে একমত হন। তাঁরা হাতে হাত মিলিয়ে অঙ্গীকারনামা বাস্তবায়নের শপথ নেন।

অনুষ্ঠানে গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ, নারী উদ্যোক্তা, ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]