বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নির্বাচনের আগেই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্ধারণের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। সম্ভাব্য কয়েকটি স্থানও প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বর্তমান সরকার।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আপাতত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকে নতুন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যমুনা ত্যাগ করার পর ভবনটি সংস্কার করে প্রধানমন্ত্রীর উপযোগী করে তোলা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংস্কারকাজ শেষ করতে এক থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে।
মন্ত্রণালয় সূত্র আরও জানায়, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের আবাসন নির্ধারণে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটি নির্বাচিত সরকারের জন্য আবাসনসংক্রান্ত সুপারিশও জমা দেয়।
কমিটি শেরেবাংলা নগরে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের জন্য দুটি স্থান বিবেচনায় নেয়—সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নির্ধারিত বাসভবন এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এলাকা। পর্যালোচনায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এলাকার তুলনায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকে বেশি উপযোগী মনে করা হয় এবং সে অনুযায়ী প্রাথমিক পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছিল।
পরবর্তীতে বিষয়টি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হলেও, উপদেষ্টা পরিষদ এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে তা পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর ন্যস্ত রাখে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর