• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ০৬ মার্চ, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১০ মিনিট পূর্বে
মোঃ পারভেজ হোসেন বাঁধন
ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৩:৪৯ দুপুর

ভোলার ১৯০ কিমি নদীপথে জাটকা সংরক্ষণে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভোলার মেঘনা নদী ও তেঁতুলিয়া নদী–এর ১৯০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সব ধরনের মাছ শিকারে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত থেকে শুরু হয়ে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৬০দিন নদীর নির্ধারিত অংশে জাল ফেলা ও মাছ আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে জেলা মৎস্য বিভাগ জেলে পল্লীগুলোতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ সময়ে নদীর অভয়াশ্রমগুলোতে ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ডিম ছাড়ে। প্রাকৃতিকভাবে মাছের বংশবিস্তার ও উৎপাদন বাড়াতে প্রতিবছর এই সময়টিতে মাছ ধরা বন্ধ রাখা হয়। জেলেদের দুশ্চিন্তা বাড়ছে দীর্ঘ দুই মাসের নিষেধাজ্ঞায় ভোলার জেলেদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ। পুরো সময়টিতে নদীতে নামতে না পারায় তারা কার্যত কর্মহীন হয়ে পড়বেন। বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

জেলেদের দাবি, নিষেধাজ্ঞার সময়ে এনজিও ঋণের কিস্তি স্থগিত রাখা এবং পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। শনিবার সকাল থেকে তুলাতুলি, কাঠিরমাথা, নাছিরমাঝি, হেতনার খাল, ভোলার খাল ও মাঝিরহাট মাছঘাটে দেখা যায়—জেলেরা তাদের জাল, নৌকা ও অন্যান্য সরঞ্জাম নদী থেকে তুলে নিচ্ছেন। সরকারি নির্দেশনা মেনে তারা নদীতে নামবেন না বলেও জানিয়েছেন।

ইব্রাহিম মাঝি ও রহিম মাঝিসহ কয়েকজন জেলে জানান, চলতি মৌসুমে ইলিশের সংকট থাকায় তারা আগেই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখন নিষেধাজ্ঞার সময় সংসার চালানো নিয়ে তারা দিশেহারা।

জেলে আব্দুল্লাহ মাঝি বলেন, “এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে জাল-নৌকা তৈরি করেছি। দুই মাস মাছ ধরতে না পারলে কিস্তির টাকা দেওয়া সম্ভব হবে না।” অসাধুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা দাবি জেলেদের অভিযোগ, প্রতি বছর নিষেধাজ্ঞার সময়ে সাধারণ জেলেরা নদীতে না নামলেও কিছু অসাধু ব্যক্তি প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাছ শিকার করে। এতে অভিযানের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয় এবং ইলিশের উৎপাদনও কমে যায়। তারা এসব অসাধুদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। আড়তেও প্রভাব নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় মৎস্য আড়তগুলোতেও।

আড়তদার হাসান সাজি জানান, জেলেদের পাশাপাশি ব্যাপারী ও পাইকাররাও এই সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়বেন। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, মার্চ ও এপ্রিল—এই দুই মাস ভোলার মেঘনা নদী ও তেঁতুলিয়া নদী–এ মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, জেলেদের আর্থিক সংকট নিরসনে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে ভিজিএফ চাল দ্রুত বিতরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভোলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার। এছাড়া বিপুলসংখ্যক অনিবন্ধিত জেলেও এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

মাসুম/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com