ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেছেন, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-কে হত্যা করা ‘অত্যন্ত গুরুতর ও নজিরবিহীন ঘটনা’ এবং এটি আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। আরাকচি বলেন, সর্বোচ্চ নেতার এই হত্যাকাণ্ড চলমান সংঘাতকে আরও জটিল ও বিপজ্জনক করে তুলবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে তাদের ‘কোনো সীমাবদ্ধতা বা সীমা নেই।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, দেশটি একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং আজ একটি অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন করা হয়েছে, যা রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
তিনি বলেন, সংবিধানে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসারেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আজ গঠিত অন্তর্বর্তী পরিষদে প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ফকিহ (ইসলামি আইনবিদ) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
আরাকচি জানান, নতুন নেতা নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই তিন সদস্যের দলটি নেতৃত্বের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। এরপর বিশেষজ্ঞ পরিষদ নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করবে। আমার ধারণা, এতে খুব অল্প সময় লাগবে। সম্ভবত এক বা দুদিনের মধ্যেই তারা দেশের জন্য একজন নতুন নেতা নির্বাচন করবেন।
তিনি জানান, সবকিছু সুশৃঙ্খলভাবে এবং আমাদের আইনি ও সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর