• ঢাকা
  • ঢাকা, শুক্রবার, ০৬ মার্চ, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৬ সেকেন্ড পূর্বে
প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ০৬ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৫০ সকাল

হঠাৎ বিক্ষোভের ডাক জামায়াতের

ফাইল ফটো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে এ বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে। আজ জুমা’র নামাজের পর ডাকা এ বিক্ষোভে রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

পোস্টে জানানো হয়েছে, জনগণের রায়কে প্রভাবিত করার অভিযোগে ওই দুই সাবেক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ আয়োজন করা হবে। কর্মসূচিটি জুমা’র নামাজের পর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে রাজধানীর বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পোস্টে আরও বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত রায় পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমানকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানিয়েছে দলটি।

ঘোষিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিদ্যমান সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ ও দাবি তোলেন দলের নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সেখানে সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, গতকাল আমরা একটা রাজসাক্ষী পেয়েছি। সেই রাজসাক্ষীর নাম হচ্ছে সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রিজওয়ানা। তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে এটা প্রকাশ করেছেন, যারা তার ভাষায়- নারীদের উপযুক্ত অধিকারকে নিশ্চিত করতে পারেনি, তারা বিরোধী দলে থাকলেও আমরা কিন্তু তাদের মূলধারায় বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দিইনি। তখনই বোঝা যায়, যে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা এসেছে, সেটাকে উনি নিজেই স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়েছেন।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, কী ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে মূলধারা বা প্রধান দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, সেটি তারা জানতে চান। তিনি আরও বলেন, এই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উনার সঙ্গে আর কারা জড়িত ছিল? পুরো গভর্নমেন্ট ছিল, নাকি গভর্নমেন্টের একটি অংশ নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে? তাদের ডিজাইন অনুসারে ডিসি, এসপি, ইউএনও, ওসি, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত সংখ্যায় একটি দলকে জেতানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল এ বিষয়টি জাতির সামনে পরিষ্কার করতে হবে।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রিজওয়ানা হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় এনে তিনি যে পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে পরিষ্কার তথ্য দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে হবে।

খলিলুর রহমানের বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে তাহের বলেন, নির্বাচনের আগে জামায়াত অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টার বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মতো বলে উল্লেখ করেছিল এবং নীতিগতভাবে বলা হয়েছিল, তাদের কেউ পরবর্তীতে দলীয় সরকারের মন্ত্রিত্ব নেবেন না। কিন্তু নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন, যা আগের অবস্থানের পরিপন্থী বলে অভিযোগ করেন তিনি।

খলিলুর রহমানকে ‘লন্ডন ষড়যন্ত্রের হোতা’ বলেও উল্লেখ করেন জামায়াতের এই নেতা। তাহের বলেন, সেখান থেকে তিনি সরকারকে মোটিভেট করে এবং ষড়যন্ত্র করে বর্তমানে যারা সরকারে আছেন তাদের সুবিধা দেয়ার জন্য কাজ করেছেন। সেই কাজের পুরস্কার হিসেবেই তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ আগে খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে তাকে সরকার থেকে অপসারণের দাবি জানিয়েছিলেন। এরপরও তাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। তাহের অভিযোগ করেন, তিনি বিএনপির সঙ্গে গোপন সমঝোতায় গেছেন এবং বিএনপির স্বার্থ রক্ষায় ভূমিকা রেখেছেন বলেই তিনি তাদের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন।

সরকারের কিছু উপদেষ্টা বিএনপিকে নির্বাচনে জেতানোর জন্য ষড়যন্ত্র করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তাহের। তার দাবি, জামায়াত একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চেয়েছিল, কিন্তু সেই সুযোগ জাতিকে দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, যারা সুষ্ঠু নির্বাচন ভণ্ডুল করেছে, তারা মীর জাফর।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিরোধীদলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আইনজীবী শিশির মনির ও জাহিদুর রহমান।

মাসুম/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ info@bd24live.com
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ office.bd24live@gmail.com