ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলায় কোনো দেশ সহযোগিতা করলে বা তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিলে সেই দেশকেও বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।
শনিবার দেওয়া এক বক্তব্যে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল Abolfazl Shekarchi এ সতর্কবার্তা দেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চাপিয়ে দেওয়া চলমান আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে যদি কোনো দেশ তাদের ভূখণ্ড, আকাশসীমা বা সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে সেটি ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
শেকারচি বলেন, ইরান আগেই ঘোষণা করেছিল—যে কোনো স্থান থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে হামলা শুরু হলে সেই স্থানকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করা হবে। ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র যেসব ঘাঁটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে, সেগুলোতে পাল্টা আঘাত হানার মাধ্যমে ইরান সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তা বজায় রাখার ব্যাপারে ইরান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান এই সামরিক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ইরান সব সময় চেষ্টা করেছে যাতে প্রতিবেশী দেশগুলোর কোনো ক্ষতি না হয়।
তিনি আরও বলেন, মুসলিম দেশগুলোর নিরাপত্তা ইরানের নিরাপত্তার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত এবং এসব দেশের জাতীয় সার্বভৌমত্বকে তেহরান সম্মান করে।
একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যে দেশগুলো তাদের আকাশসীমা, ভূমি বা সম্পদ ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবে না, সেসব দেশের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না এবং তাদের নিরাপত্তাও অক্ষুণ্ন থাকবে।
তবে কোনো দেশ যদি ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য তাদের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দেয়, তাহলে সেই দেশকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলেও সতর্ক করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেকারচি।
সূত্র- তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর