দেশের বাজারে চালের সরবরাহ বৃদ্ধি ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ভারত থেকে আমদানি করা ১৬ হাজার মেট্রিক টন চাল নিয়ে দুটি বিদেশি জাহাজ মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে। রোববার সকাল থেকে জাহাজ দুটি থেকে চাল খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে পানামা পতাকাবাহী ‘এইচ টি পাইনিওর’ জাহাজে ১১ হাজার মেট্রিক টন এবং ভিয়েতনাম পতাকাবাহী ‘হোয়াংটন-৮৯’ জাহাজে ৫ হাজার মেট্রিক টন চাল মোংলা বন্দরে আসে। উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে এসব চাল আমদানি করা হয়েছে।
বিদেশি জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিয়েস’ এর ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম জানান, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রোববার সকাল থেকেই জাহাজ দুটি থেকে চাল খালাস শুরু হয়েছে। খালাস হওয়া চাল ছোট লাইটারেজ জাহাজে করে নৌপথে দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি খাদ্য গুদামে পাঠানো হচ্ছে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে পুরো চাল খালাস সম্পন্ন হবে বলেও জানান তিনি।
মোংলা খাদ্য অফিসের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার বলেন, সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির আওতায় সরকার ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে মোট ৮ লাখ টন সেদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই চুক্তির আওতায় ভারত থেকে মোংলা বন্দরে এটি ৯ম চালান।
তিনি আরও বলেন, দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার ও বেসরকারি পর্যায়ে ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ চাল আমদানি করা হচ্ছে। শুল্ক মুক্ত সুবিধায় আমদানিকৃত এসব চালের মধ্যে নন-বাসমতি চালের পরিমাণ বেশি। যা বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
এদিকে সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে ভারতের পেট্রাপোল ও হিলি স্থলবন্দর দিয়েও নিয়মিত চাল আমদানি হচ্ছে। ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্য শস্য সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর