উপমহাদেশের বৃহত্তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে মুসল্লিরা এখানে ঈদের জামাতে অংশ নেন।
প্রায় সাত একর আয়তনের বিশাল এই মাঠে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে একটি প্রাচীন বৃক্ষ। শোলাকিয়া ঈদগাহের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে মূল প্রবেশপথের কাছে এই রেইনট্রি গাছটি ঈদগাহের সমবয়সী বলে ধারণা স্থানীয়দের।
১৭৫০ সালে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের গোড়াপত্তন হয়। সেই হিসেবে গাছটির বয়স পৌনে ৩শ’ বছরেরও বেশি।
গাছটির নিচে আগেভাগে জায়গা নিতে বয়োজ্যেষ্ঠ মুসল্লিরা ঈদের দিন প্রত্যুষে ঈদগাহে চলে আসেন।
ঈদের ২-৩ দিন আগে শোলাকিয়ায় চলে আসা দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের অনেকের দৃষ্টি কাড়ে বিশাল আয়তনের গাছটি। অনেকে আবার কৌতূহল করে গাছটিকে এক নজর দেখতেও ছুটে আসেন শোলাকিয়ায়।
স্থানীয়দের মাঝে কথিত রয়েছে যে, এ গাছের ডাল কেউ ভাঙলে, সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফলে এ গাছ নিজে থেকে তার কোন অংশ না খোয়ালে কেউ ছুঁতে সাহস পায় না।
এ কারণে কালের সাক্ষী হয়ে গাছটি টিকে আছে শতাব্দীর পর শতাব্দী। সেই সঙ্গে বাড়িয়ে চলেছে বৃক্ষশোভিত শোলাকিয়া ময়দানের শোভা।
কুশল/সাএ
সর্বশেষ খবর