দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পন্টুনে ওঠার সময় যাত্রীবাহী একটি বাস পদ্মা নদী-তে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে তলিয়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা-র মাধ্যমে পানির ওপর তোলা হয়। এ সময় বাসের ভেতর থেকে ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে নদী থেকে আরও চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া বাস তলিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা আরও দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহতদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ১১ জন নারী ও ৮ জন শিশু রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিহতদের সকলের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে এবং ২২ জনের মরদেহ ইতোমধ্যে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি একজনের মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা জানান, উদ্ধার করা মরদেহগুলো গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ রাখা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, সৌহার্দ্য পরিবহন-এর ওই বাসটিতে প্রায় ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন। ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি নদীতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।
ঘটনার পর থেকে ফেরিঘাট এলাকায় নিখোঁজদের স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে কাজ করছে। ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর