ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ অবরোধের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হলেও দেশটি বিকল্প পথে অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখবে। সীমান্ত বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে এই চাপ “নিষ্ক্রিয়” করা সম্ভব হবে বলে দাবি করেছে তেহরান।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনি বলেছেন, ইরান ভৌগোলিকভাবে ৮ হাজার কিলোমিটারের বেশি স্থল ও সমুদ্র সীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে বড় সুবিধা দেবে।
তিনি জানান, নৌ অবরোধের প্রভাব মোকাবিলায় বিশেষ করে সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোর প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় দ্রুত ও সহজভাবে খাদ্য, ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিকল্প বাণিজ্য পথ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক সরবরাহ শৃঙ্খল আংশিকভাবে সচল রাখা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট এড়ানোই মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে স্থলপথে বাণিজ্য জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষের মতে, নৌ অবরোধের ফলে সরাসরি চাপ তৈরি হলেও সীমান্ত বাণিজ্য ও আঞ্চলিক বাণিজ্য নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা সম্ভব।
বিশ্লেষকদের মতে, নৌপথে সীমাবদ্ধতা থাকলেও ইরান দীর্ঘ সীমান্ত সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।
সূত্র- আলজাজিরা।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর