মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার জন্য ইসরাইল তাকে কোনো প্রকার প্ররোচনা বা প্ররোচিত করেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ব্যাখ্যা দেন।
মূলত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরান ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পেছনে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর চাপ ছিল বলে যে খবর চাউর হয়েছিল, ট্রাম্প তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন।
তার এই সামরিক পদক্ষেপকে অনেকেই অবৈধ বলে মনে করলেও ট্রাম্প একে যুক্তিসঙ্গত বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, গত ৭ই অক্টোবরের ঘটনা তার দীর্ঘদিনের এই বিশ্বাসকে আরও পোক্ত করেছে যে, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দেওয়া যাবে না।
যুদ্ধের শুরু থেকেই ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি এবং তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ওপর নিক্ষেপ করা থেকে মাত্র দুই থেকে চার সপ্তাহ দূরে ছিল। যদিও অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ তার এই দাবিকে অবাস্তব ও ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ট্রাম্প তার পোস্টে ইরানের নতুন নেতৃত্বকে একটি বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের নেতারা যদি ‘চতুর’ হন, তবে দেশটির সামনে এক উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। ইতোপূর্বে তিনি জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির বাইরেও দেশটির অভ্যন্তরীণ অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করছে।
উল্লেখ্য, মোজতবা খামেনি যুদ্ধের শুরুতে এক বিমান হামলায় তার বাবার মৃত্যুর সময় গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে তিনি মুখ ও পায়ের ক্ষত থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর