• ঢাকা
  • ঢাকা, বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৪ ঘন্টা পূর্বে
মোঃ এস হোসেন আকাশ
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০৫ মে, ২০২৬, ০৮:২৭ রাত

স্বস্তির রোদে প্রাণ ফিরেছে হাওরে, খলায় কৃষকদের ব্যস্ততা

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজানের ঢলে বিপর্যস্ত কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে অবশেষে দেখা মিলেছে স্বস্তির রোদের। মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার হয়ে রোদ ওঠায় হাওরজুড়ে ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। ডুবে যাওয়া ক্ষেত ও খলায় স্তূপ করে রাখা ধান শুকাতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

ইটনা-অলওয়েদার সড়কসহ হাওরের উঁচু জমির খলাগুলোতে আবারও ফিরেছে চিরচেনা কর্মব্যস্ততা। সড়কের দুই পাশে ধান শুকানো, কোথাও ধান মাড়াই, আবার কোথাও বাতাসে ধান উড়িয়ে ময়লা পরিষ্কারের দৃশ্য চোখে পড়ছে। নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশুরাও ধান শুকানো ও গুছানোর কাজে অংশ নিচ্ছে। ফলে খলাগুলোতে এখন দম ফেলার ফুরসত নেই কৃষকদের।

তবে রোদের দেখা মিললেও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে কৃষকদের মধ্যে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা কাটেনি। অতিবৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইটনা উপজেলার হাওরাঞ্চল। অনেক নিচু জমি এখনও পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে।

মিঠামইন জিরো পয়েন্ট অলওয়েদার সড়কে ধান শুকাতে ব্যস্ত কৃষক রহিম মিয়া বলেন, সকাল থেকে রোদ থাকায় সবাই খলা ও সড়কে রাখা ধান শুকাতে ব্যস্ত। কিছু জায়গায় এখনো পানির মধ্যে ধান কাটতে হচ্ছে। কয়েকদিন রোদ থাকলে কিছুটা ফসল রক্ষা করা যাবে।

জয়সিদ্ধি খলার কৃষক খয়ের খা বলেন, রোদ না থাকলে সব শেষ হয়ে যেত। এখন যা আছে, সেটুকু বাঁচানোর চেষ্টা করছি। অনেকের ধান এরই মধ্যেই নষ্ট হয়ে গেছে।

এদিকে জমিতে পানি জমে থাকায় হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে শ্রমিকদের চাহিদা বেড়েছে, একই সঙ্গে বেড়েছে মজুরিও।

ধান কাটতে আসা শ্রমিক সবুর আলী বলেন, বুকসমান পানিতে নেমে কাজ করতে হচ্ছে। ঠান্ডা পানি আর জোঁকের কষ্টের মধ্যেও ধান কাটছি। তাই মজুরি একটু বেশি নিচ্ছি।

হাওরে রোদ ফিরলেও নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিতে কৃষকদের দুশ্চিন্তা এখনো কাটেনি। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে অন্তত খলার ধান উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা স্থানীয় কৃষকদের।

নিকলী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গেছে এবং ৪৯ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায়। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]