• ঢাকা
  • ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ৭ ঘন্টা পূর্বে
নিউজ ডেস্ক
বিডি২৪লাইভ, ঢাকা
প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২৬, ০৯:৩৫ সকাল

কাওরান বাজারে ৩ কোটি চাঁদাবাজি নিয়ে মুখোমুখি দুই এমপি

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কাওরান বাজারে প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকার চাঁদাবাজি হয় বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। তিনি দাবি করেন, কাওরান বাজারের কয়েকটি পাইকারি মুরগির দোকান থেকেই মাসে প্রায় ৬০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়।

অন্যদিকে সরকারি দল বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবীবা জামায়াতের এমপির এ বক্তব্যকে ‘ঢালাও অভিযোগ’ বলে মন্তব্য করেন এবং তাকে সরাসরি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় চাঁদাবাজি ইস্যুতে দুই সংসদ সদস্যের মধ্যে সংক্ষিপ্ত বাকবিতণ্ডাও হয়।

গতকাল রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংলাপে অংশ নিয়ে তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিডির বিশেষ ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান, বিআইডিএসের মহাপরিচালক অধ্যাপক একে এনামুল হক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক শরমিন্দ নীলোর্মি এবং বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক।

আলোচনায় অংশ নিয়ে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় মানুষের কষ্ট বাড়ছে। এজন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি শুল্ক কমানো উচিত। পাশাপাশি জ্বালানির দাম আর না বাড়ানোরও পরামর্শ দেন তিনি।

তার বক্তব্যের সূত্র ধরে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে চাঁদাবাজির প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন সাইফুল আলম খান মিলন। তিনি বলেন, “আমি তো আসলে চাঁদাবাজি এলাকার এমপি। আমাদের কাওরান বাজারে প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকা কালেকশন হয়। কয়েকটি পাইকারি মুরগির দোকান থেকেই মাসে ৬০ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়া হয়। কাওরান বাজারের চাঁদাবাজি নিয়ে বলতে গেলে একদিন সময় লাগবে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা এই চাঁদাবাজি করে, বাইরে তারা রাজনৈতিক নেতা, ভেতরে তারা চাঁদাবাজ। আগে আগের সরকারের লোকজন করত, এখন কারা করছে তা এখানে বলছি না।”

জামায়াতের এমপির বক্তব্যের জবাবে বিএনপির এমপি মাহমুদা হাবীবা বলেন, “এমপি সাহেব বলছেন, তার এলাকায় চাঁদাবাজি হচ্ছে অথচ তিনি জানেন না কারা করছে। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না। তার কাছে সুনির্দিষ্ট তালিকা থাকা উচিত এবং আইনের আশ্রয় নেওয়া উচিত।”

তিনি আরও বলেন, “গোলটেবিল বা টকশোতে এমন কথা বলা যায়। কিন্তু নির্দিষ্ট নাম বলতে না পারলে তা ঢালাও অভিযোগ হয়ে যায়। আমার এলাকায় যে-ই চাঁদাবাজি করুক, সে সরকারি দলের হোক বা বাইরের, আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।”

এর জবাবে সাইফুল আলম খান বলেন, “আগেও সরকারি দলের লোকেরা চাঁদাবাজি করত, এখনো সরকারি দলের লোকেরাই করছে।”

তিনি আরও দাবি করেন, “আমার এলাকার সবচেয়ে বড় চাঁদাবাজির জায়গা হলো কাওরান বাজার। আগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কাওরান বাজারের চাঁদাবাজি কেন্দ্র করে যুবদলের নেতা মুসাব্বির নিহত হয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ সরকারি দলের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা নেয় না।”

বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে বলেও জানান সাইফুল আলম খান। তিনি বলেন, “আমি তার সহযোগিতা চেয়েছি। একজন মন্ত্রী আমাকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে বলেছেন। আমি চাই কাওরান বাজার, মহাখালী বাসস্ট্যান্ড ও তেজগাঁও অঞ্চলের চাঁদাবাজি বন্ধ হোক।”

সাজু/নিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:


BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]