• ঢাকা
  • ঢাকা, শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১৯ মিনিট পূর্বে
আল আমিন
ফুলবাড়ীয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৬, ০৮:২৪ রাত

ফুলবাড়িয়ায় আগুনে পুড়লো তরুন উদ্যোক্তার বুক ভরা স্বপ্ন

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

ঈদের বাকি আর মাত্র ক'দিন। আনন্দ কড়া নাড়ার আগেই ভস্মীভূত তরুণ উদ্যোক্তার একরাশ স্বপ্ন। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে শুধু একটি ঘর পোড়েনি,বরং পুড়েছে এক কর্মঠ উদ্যোক্তার বুক ভরা আশা। একইসাথে ছাই হয়েছে অসহায় পরিবারের বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও।

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল কালনাজানি গ্রামে ইজিবাইকের সিট, কাভার ও চার্জার তৈরির মাধ্যমে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানে টিনশেড দিয়ে কারখানা তৈরি করেছিলেন রুবেল রানা নামের এক তরুণ উদ্যোক্তা। যার এক পাশে গুদাম ঘর আরেক পাশে মালামাল তৈরী করা হতো। নিজের পরিশ্রম আর অগণিত ত্যাগের বিনিময়ে তিলে তিলে গড়া উঠা এই ছোট কারখানাটিই ছিল তার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস।

সোমবার (২৫ মে) দুপুরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে মুহুর্তেই তার সব কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দিন-রাত এক করে ইজিবাইকের সিট, কাভার, চার্জার তৈরির এই ব্যবসাকে ঘিরেই তিনি বুনেছিলেন আগামীর সব আশা। যা মুহুর্তেই পাল্টে হতাশায় রুপ নিয়েছে।

জানা গেছে, কারখানাটি স্থাপনের জন্য তিনি এনজিও, ব্যাংক থেকে মোটা অংকের ঋণ নিয়েছিলেন। আগুনে সব হারিয়ে এখন সেই ঋণ পরিশোধ তো দূরের কথা, তিনিসহ আরও ৭টি পরিবারের সদস্যদের নিত্যদিনের অন্ন জোগানোই যেনো কঠিন হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, ইজিবাইকের সিট তৈরীর রেক্সিন,চার্জার সরঞ্জামাদি, চায়না এক্সোসরিজসহ প্লাস্টিক জাতীয় মালামাল পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। টিন শড ঘরটিও পুড়ে গেছে। তরুন উদ্যোক্তা রুবেলসহ তাঁর পরিবারের লোকজন কান্না করছেন। প্রতিবেশীরা তাদেরকে সান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

স্থানীয়রা জানান, কারখানায় দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে আগুন নিভানোর চেষ্টা করি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও মালামাল সব পুড়ে যায়। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক ছেলেপেলে উপার্জন করতে পারতো। ঈদের আগে আগুন লেগে মালিকসহ শ্রমিকরা অসহায় হয়ে পড়েছে। সরকারিভাবে সহায়তা না করলে তাঁরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবেনা। সরকারের উচিত তাদের পাশে দাঁড়ানো।

কারখানার মালিক রুবেল রানা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন ‘অনেক কষ্টে এই কারখানাটা দাঁড় করিয়েছিলাম। কিন্তু আগুনে মালামালসহ সব পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। আমার প্রায় ১৮ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। এখন আমি শ্রমিকদের বেতন দিবো কীভাবে? ঋণ শোধ আর সংসারই বা কীভাবে চালাব তা বুজতে পারতেছিনা।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শহীদুল ইসলাম সোহাগ বলেন,ক্ষতিগ্রস্থকে সরকারিভাবে যে সহায়তা করা যায় তা ব্যবস্থা করা হবে।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:


BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]