জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের শেষ ও তৃতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচ হেরে সিরিজ খুইয়ে ফেলা টাইগাররা শেষ ম্যাচে স্বস্তির জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ শেষ করে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে সক্ষম হয়।
হারারাতে জিম্বাবুয়ে সিরিজের শেষ ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কাপ্তান মেহেদী মিরাজ। তবে টাইগার অধিনায়ককে হতাশ করেননি বোলাররা। মাত্র ২৭ রানে তিন উইকেট তুলে স্বাগতিকদের কড়া বার্তা দিয়েছে তাসকিন-শরিফুলরা। এরপর ছোট ছোট জুটিতে এগিয়েছে জিম্বাবুয়ে। মাধভেরে ও ইভান্সের ফিফটিতে শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রানের লড়াকু সংগ্রহ তুলেছে সিকান্দার রাজার দল।
বাংলাদেশের হয়ে ৪ উইকেট শিকার করেছেন শরিফুল ইসলাম। ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ এবং তানভীর ইসলাম। এক উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
২০০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও তানজিদ তামিম। দুজনই উইকেটের চারপাশে খেলেছেন নজরকাড়া শট। তাতে প্রথম পাওয়ারপ্লের ১০ ওভারে বিনা উইকেটে ৫৯ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ।
জিম্বাবুয়ের বোলারদের সুযোগ না দিয়ে দুজনই ছুঁয়ে ফেলেন ফিফটি। অর্ধশতকের পরেও সামনে এগিয়েছেন সৌম্য-তামিম। দলকে নিয়ে যাচ্ছিলেন জয়ের খুব কাছে। তাতে দেড়শ পার হয় তাদের ওপেনিং জুটি। তবে ১৫১ রানের মাথাতে সৌম্য ফিরে যান। তানাকা চিভাঙ্গার বলে বোল্ড হয়ে ৮২ বলে ৬৯ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরে যান তিনি।
পরে তামিমের সাথে যোগ দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। উইকেট হারালেও আগ্রাসী ছিলেন তামিম। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ দিকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ৯৪ রানের মাথায় আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন তিনি। শেষ দিকে রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন দারুণ ফর্মে থাকা তাওহীদ হৃদয়।
তবে পাঁচে নামা নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে বাকি কাজ সেরেছেন শান্ত। ২৮ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন তিনি। তাতে ৮৪ বল হাতে রেখে ৭ উইকেটে জয়লাভ করে বাংলাদেশ। বিদেশের মাটিতে ৩৭১ দিন পর আসলো এই ওয়ানডে জয়। তবে প্রথম দুই ম্যাচ হেরে আগেভাগেই সিরিজ খুঁইয়েছে সফরকারীরা।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর