বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’ জিতবেন লিওনেল মেসি—এমনটাই প্রত্যাশা করেছিলেন অনেক ফুটবলপ্রেমী। তবে ফাইনাল শেষে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার উঠেছে স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির হাতে।
রদ্রির নাম ঘোষণার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। এমনকি নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামেও দেখা যায় সমর্থকদের অসন্তোষ। পুরস্কার নিতে মঞ্চে ওঠার সময় গ্যালারিজুড়ে ‘মেসি, মেসি’ ধ্বনি ওঠে। অনেকের দাবি, পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের বিচারে এই সম্মান মেসিরই প্রাপ্য ছিল।
পরিসংখ্যানও মেসির পক্ষে কথা বলে। পুরো আসরে ৮ গোলের পাশাপাশি ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। দলকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি পাঁচবার ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। ৩৯ বছর বয়সেও আর্জেন্টিনার একাধিক জয়ের নায়ক হওয়ায় সমর্থকদের বড় একটি অংশ মনে করেন, ‘গোল্ডেন বল’ তার হাতেই বেশি মানাত।
অন্যদিকে রদ্রি এবারের বিশ্বকাপে কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট না করলেও স্পেনের মাঝমাঠের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন। আট ম্যাচে ৭২৬ মিনিট খেলে তিনি ৬৯২টি সফল পাস দেন, যার সফলতার হার ছিল ৯৪ শতাংশ। এছাড়া ১৩টি সফল ট্যাকল করে দলের রক্ষণ ও আক্রমণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপের মূল্যায়নে, স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে রদ্রির সামগ্রিক প্রভাবই তাকে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার এনে দিয়েছে। তবে গোল ও অ্যাসিস্টে মেসির অসাধারণ অবদান বিবেচনায় অনেক সমর্থক এখনো মনে করছেন, ‘গোল্ডেন বল’ নিয়ে বিতর্কের শেষ কথা এখনও বলা হয়নি।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর
স্পোর্টস এর সর্বশেষ খবর