নাটোরের গুরুদাসপুরে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে খবর পরিবেশন না করার অনুরোধ জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থোপেডিক কনসালটেন্ট ডা. জাহেদুল ইসলাম। চিকিৎসাধীন রোগীকে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে ভুল চিকিৎসা দিয়ে তাঁর ওপর মিথ্যা দায় চাপানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। বুধবার সকালে শহরের একটি ক্লিনিকে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই দাবি করেন।
জানা যায়, ১৯ জুলাই ‘নারীর ভাঙা পায়ের ভেতর ড্রিল মেশিনের ফলা রেখেই সেলাই দিলেন ডাক্তার’ শিরোনামে কয়েকটি দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকৃতপক্ষে গত ৩ জুন রাতে বনপাড়াস্থ তাঁর ক্লিনিকে আনোয়ারা বেগম (৬০) নামের এক নারীর ভাঙা পায়ে অস্ত্রোপচার করেন ডা. জাহেদুল ইসলাম। সংক্রমণ পরবর্তী সময়েও তাঁর তত্ত্বাবধানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওই রোগীর চিকিৎসা চলছিল। হঠাৎ তাঁকে না জানিয়ে ঢাকার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে শুরু করেন ওই রোগী। এমতাবস্থায় তাঁকে দায়ী করা যুক্তিহীন বলে তিনি মনে করেন।
ডা. জাহেদুল বলেন, "অস্ত্রোপচারের সময় দুর্ঘটনাবশত ড্রিলবিটের একটি ক্ষুদ্র অংশ হাড়ের ভেতরে ভেঙে যায়। বয়স বিবেচনায় তা তাৎক্ষণিক পুনরায় অপারেশন করা সম্ভব হয়নি। প্লেট অপসারণের সময় ড্রিলবিটের অংশ বের করে দেওয়া হবে বলে রোগীর স্বজনদের জানানো হয়। কিন্তু প্রকাশিত সংবাদে আমাকে অপেশাদার চিকিৎসক, চিকিৎসায় অনীহা, ক্ষতস্থানে পচন, দফায় দফায় অস্ত্রোপচার, পা কেটে ফেলার উপক্রম—এমন সব মিথ্যা শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে আমার সুনাম ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে।"
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মুনজুরুল আলম এবং মাদার এন্ড চাইল্ড কেয়ার ক্লিনিকের পরিচালক রাশিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর