মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর চেয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে বেশি আগ্রহী। তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে সামরিক পদক্ষেপের পথও খোলা রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন তিনি।
স্থানীয় সময় বুধবার (৫ আগস্ট) লাস ভেগাসে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ‘আমি মানুষ হত্যা করতে চাই না। তাই যুদ্ধের বদলে একটি চুক্তি করতে চাই।’
তিনি দাবি করেন, তার প্রশাসন ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হামলা’ চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল। তবে ইরানের কর্মকর্তারা আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করায় সেই পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়।
ট্রাম্পের ভাষায়, তারা আমাকে ফোন করে বলেছিল, ‘দয়া করে হামলা করবেন না, আসুন কথা বলি।’ এখন তারা বলছে, ‘আমরা এমন কিছু বলিনি।’ কিন্তু ভুয়া সংবাদমাধ্যমও জানে তারা বলেছিল। যাই হোক, এখন আলোচনা চলছে। দেখা যাক কী হয়। তারা আমাদের সম্মান করে।’
তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না।’
তেলের বাজার নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে ঘিরে বর্তমান অচলাবস্থার অবসান হলে তেল ও জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে দাম কমিয়ে আনছি। ইরান-সংকট শেষ হলেই তেলের দাম অনেক নিচে নেমে যাবে, পেট্রলের দামও কমে যাবে।’
গত ১৮ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি কাঠামোগত চুক্তিসই করে চূড়ান্ত সমঝোতার লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করেছিল। তবে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ও অবাধ নৌ-চলাচলের নিশ্চয়তা নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় সেই আলোচনা পরে স্থবির হয়ে পড়ে।
গত মাসে উত্তেজনা আবারও বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভেতরে হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতসহ কয়েকটি আরব দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানোর দাবি করে।
সূত্র: আনাদোলু।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর
সারাবিশ্ব এর সর্বশেষ খবর