• ঢাকা
  • ঢাকা, রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • শেষ আপডেট ১৫ সেকেন্ড পূর্বে
শেখ রাজেন
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৪ দুপুর

নবদম্পতিকে থানায় নিয়ে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ ওসি-এসআইয়ের বিরুদ্ধে

ছবি: প্রতিনিধি, বিডি২৪লাইভ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করা এক নবদম্পতিকে গভীর রাতে থানায় তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, বিয়ের প্রায় এক মাস পর কোনো মামলা বা অভিযোগের কথা না জানিয়ে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাঁদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তরুণীর মায়ের করা মামলায় ওই তরুণের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা এবং নবদম্পতিকে থানায় নেওয়ার আইনগত ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনাটি নিয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল কি না, তা নিয়েও পুলিশের কর্মকর্তাদের বক্তব্যে অসংগতি দেখা দিয়েছে। এক কর্মকর্তা জিডির ভিত্তিতে গ্রেপ্তারের কথা বললেও তদন্ত কর্মকর্তা এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন। অন্যদিকে, থানার রেকর্ড শাখার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ভাষ্য, সংশ্লিষ্ট তারিখে কোনো জিডি বা অভিযোগ থানার রেকর্ড খাতায় লিপিবদ্ধ নেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরাইল উপজেলার চানমনিপাড়া গ্রামের আজিজুল ইসলামের মেয়ে নুসরাত জাহান ও বিজয়নগর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের দুধ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ শ্রাবণ গত ২৮ জুন আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেন। বিয়ের পর বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশ হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, সালিশে নুসরাতকে বাবার বাড়িতে ফিরে যাওয়ার কথা বলা হলেও তিনি স্বামীর সঙ্গেই থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জুলাই নুসরাতের মা, নানি ও খালা তাকে দেখার জন্য তাঁর শ্বশুরবাড়িতে আসেন। এর সাত দিন পর, ২১ জুলাই রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বিজয়নগর থানা পুলিশের সহযোগিতায় সরাইল থানার এসআই শামীমের নেতৃত্বে পুলিশ নবদম্পতিকে আটক করে সরাইল থানায় নিয়ে যায়।

নবদম্পতির পরিবারের দাবি, তাঁরা পরস্পরের সম্মতিতে বিয়ে করে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসঙ্গে বসবাস করছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে নুসরাতের মা বাদী হয়ে সরাইল থানায় শ্রাবণের বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা করেন (মামলা নং ২৯)।

নবদম্পতিকে থানায় নিয়ে যাওয়ার আগে কী অভিযোগ বা তথ্য ছিল এবং তাঁদের আটক বা গ্রেপ্তারের আইনগত ভিত্তি কী ছিল—এ নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবার প্রশ্ন তুলেছে।

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ বলেন, "সরাইল থানা আমাদের সহযোগিতা চেয়েছিল। আমরা সেই সহযোগিতা করেছি।" অন্যদিকে, সরাইল থানার ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, সাধারণ ডায়েরি (জিডি) মূলে তাঁদের উদ্ধার করে পরে রাতে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তবে মামলায় কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল না বলে তিনি নিশ্চিত করেন। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, "আমার কাছে জিডি কিংবা অভিযোগের কোনো কপি নেই এবং এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না।"

এদিকে, সরাইল থানার মুন্সি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী শাহাদাৎ ও জিয়া জানান, ২১ জুলাইয়ের রেকর্ড খাতায় কোনো জিডি বা অভিযোগ লিপিবদ্ধ নেই। তাঁদের দাবি, সরাসরি মামলা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. জালাল উদ্দিন ফাহিম বলেন, অভিযোগ বা কোনো কারণ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের সুযোগ নেই। গ্রেপ্তারের অবশ্যই আইনগত কারণ থাকতে হবে।

কুশল/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পাঠকের মন্তব্য:

BD24LIVE.COM
bd24live.com is not only a online news portal. We are a family and work together for giving the better news around the world. We are here to give a nice and colorful media for Bangladesh and for the world. We are always going fast and get the live news from every each corner of the country. What ever the news we reached there and with our correspondents go there who are worked for bd24live.com.
BD24Live.com © ২০২০ | নিবন্ধন নং- ৩২
Developed by | EMPERORSOFT
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ফোনঃ (০২) ৫৮১৫৭৭৪৪
নিউজ রুমঃ ০৯৬০৩২০২৪৩৪
মফস্বল ডেস্কঃ ০১৫৫২৫৯২৫০২
বার্তা প্রধানঃ ০৯৬০৩১৫৭৭৪৪
ইমেইলঃ [email protected]