আকতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক আসমা বেগম অফিস রুমে মারামারি ঘটনায় বিভাগীয় মামলা পর অন্যত্র বদলী করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আছমা খাতুনকে একই উপজেলার কাহালগাঁও দক্ষিণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুন্য পদে বদলি করেছেন। এর আগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
গত ৫ আক্টোবর আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অফিস কক্ষে শিক্ষক দম্পত্তির মারামারির ঘটনা গত মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। পরে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হয়। এঘটনায় তদন্ত করে উপজেলা শিক্ষা অফিস। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. ইকবাল হোসেন। আকতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালেয় ২০১০ সালে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে আছমা বেগম ও ২০১১ সালে আফজাল হোসেন প্রধান শিক্ষক হিসেবে অন্যত্র থেকে বদলী হয়ে যোগদান করেন। ২০০৪ সালে আফজাল হোসেন ও আছমা বেগমের বিয়ে হয়। প্রধান শিক্ষকের বাড়ির পাশেই আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুই জনে বদলী হয়ে আসেন।
প্রায় একযুগের উপর পারিবারিক দ্বন্দে তারা আলাদা থাকেন। মাঝে মধ্যেই বিদ্যালয়ে উভয়ে প্রকাশ্যে ঝগড়া করতেন। এসব ঘটনায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ ছিলেন তাদের প্রতি। শিক্ষক দম্পত্তির এমন কর্মকান্ডে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে ভর্তি করেনা।
দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে আসছে। প্রাক প্রাথমিক থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত কগজপত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংখ্যা ৯০ জন। বাস্তবে অর্ধেক নেই। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহা. ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, বিভাগীয় মামলার পর সহকারী শিক্ষিকাকে অন্যত্র বদলী করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষকের বিষয়ে উপপরিচালক স্যার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিবেন।
সাজু/নিএ
সর্বশেষ খবর