প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল

কয়েক দফা সতর্ক করা হলেও আমলে নিচ্ছে না পর্যটকরা

   
প্রকাশিত: ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ, ৯ নভেম্বর ২০১৯

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ক্রমশই উত্তাল হয়ে উঠছে সাগর। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ৯ নং বিপদসংকেত ও মংলা-পায়রা বন্দরে ১০ নম্বার মহবিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ধারণা করা হচ্ছে আজ শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার আগে পরে ঝড়টি ১৫০ কিলোমিটার বেগে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে।

এদিকে কুয়াকাটায় দেখা গেছে পর্যটকদের আনাগোনা। সকাল থেকেই কয়েক দফা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক করার পরও আমলে নিচ্ছেনা তারা। তারপরও পর্যটকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রস্নানে ব্যস্ত। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখানকার পর্যটকদের সকাল থেকেই কয়েক দফায় মাইকিং করে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। যাতে করে সমুদ্রে না নামে এবং নিরাপদ স্থানে সরে থাকে।

এ ব্যাপারে সুমন নামের এক পর্যটকের সাথে কথা হয় তিনি বলেন, ঢাকা থেকে আনন্দ করার জন্য আসলাম। বুলবুলের কথা শুনেছি। তেমন একটা গর্জন দেখছিনা সাগরে তাই ভয় উপেক্ষা করে নামলাম।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের সমন্বয় কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনা এড়াতে এই রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্বীপে বেড়াতে এসে আটকা পড়া পর্যটকেরা নিরাপদে রয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনা হবে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে জেলা সদরসহ সাত উপজেলায় ৮টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৬৬৮টি আশ্রয়কেন্দ্র। গঠন করা হয়েছ ৯২টি মেডিক্যাল টিম। ঝড়ের কারণে বাতিল করা হয়েছে জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি এবং স্থানীয়দের সতর্ক করতে উপকূলে চলছে রেড ক্রিসেন্ট ও সিপিপির প্রচারণা। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছে শুকনো খাবার, প্রয়োজনীয় চাল, টিন ও নগদ টাকাসহ পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী রয়েছে।

এআইআ/এইচি

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: