পুলিশের হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল স্কুল ছাত্রী!

১৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:১৮:০০

ছবি: প্রতীকী

শামসুজ্জোহা বাবু, রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহী মহানগরীর মতিহার জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনারের হস্তক্ষেপে বাল্য বিবাহ্ থেকে রক্ষা পেল ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী মোসাঃ আনিকা খাতুন আনিকা (১৩)। সোমবার (২৩ জুলাই) দুপুর ২টার সময় নগরীর মতিহার থানাধীন মির্জাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মির্জাপুর এলাকায় জনৈক মিরাজের বাড়িতে আড়াণি থেকে বাবা পল্টু ও মা মিরা নামের এক দম্পতি তার মেয়ে আনিকাকে বিবাহ্ দেয়ার জন্য মিরাজের বাড়িতে আসে। এমন একটি তথ্য স্থানীয়রা দৈনিক উপচার পত্রিকার এক সাংবাদিককে জানালে বিষয়টির ওই সাংবাদিক মতিহার জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনারকে অবগত করেন। এর কিছুক্ষন পরেই মির্জাপুর ফাঁড়ি ইনচার্জ ও সঙ্গীয় ফোর্স মিরাজের বাড়িতে হানা দেয়।

এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় বর পক্ষের লোকজন। বন্ধ হয় বাল্য বিবাহ। রক্ষা পায় নাবালিকা আনিকা।

এ বিষয়ে আনিকার মা মিরার মুঠো ফোনে ফোন করা হলে, আনিকার ফুপাতো বোন মিরাজের স্ত্রী মঞ্জুরা ফোন রিসিভ করেন, বাল্য বিবাহের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বাবার বাড়ি আড়াণি। মির্জাপুরে আমার বিয়ে হয়েছে। আর আনিতা আমার ফুপাতো বোন। তাদের বাড়ি আড়াণিতে। আনিকা আড়াণির একটি স্কুলে ৮ম শ্রেণীতে পড়ে। একটি পরিবারের লোকজনকে দেখাতে আমার ফুপাতো বোনকে আড়াণি থেকে আমার বাড়িতে এসেছিল।

তবে তিনি বিবাহ্ বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি। আনিতাকে ফোন দেন তার নিকট জানবো, এমন কথা বললে ফোন কেটে দেন আনিকার ফুপাতো বোন মঞ্জুরা।

এদিকে মির্জাপুর এলাকার কয়েকজন স্থানীয় প্রতিবেশি বলেন, পুলিশ উপস্থিত হতে ১ঘন্টা দেরি হলে বিবাহ্ সম্পন্ন হয়ে যেত। পুলিশ আসায় বর পক্ষের লোকজন পালিয়েছে বলেও জানায় স্থানীয়রা।

বিডি২৪লাইভ/এমআরএম

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: