‘দেশীয় কোম্পানীগুলোর স্বার্থে কাজ করতে চাই’

প্রকাশিত: ০৩:২৯ অপরাহ্ণ, ২৩ মার্চ ২০১৮

পাঁচ বিলিয়ন ডলার এক্সপোর্টের পাশাপাশি দেশীয় মাকের্টের উন্নয়নের উপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে বেসিসের সদস্যদের ওয়ান স্টপ সল্যুশনের এমন একটা স্থানে নিয়ে যেতে চাই যেখানে নতুন উদ্যোক্তারা পাবেন প্রশিক্ষণ ও সমস্যায় পড়া সদস্যরা পাবেন সমাধান বলছিলেন রেইজ আইটি সল্যুশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এ এম রাশেদুল মাজিদ।

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) ডিজিটাল মার্কেটিং স্ট্যান্ডিং কমিটির কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্বের শতাধিক দেশে বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় রিটস ব্রাউজারের উদ্ভাবকও তিনি।

বেসিস নির্বাহী কমিটির ২০১৮-২০২০ মেয়াদের নির্বাচনে ফ্লোরা টেলিকম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন টিম দূর্জয় প্যানেল থেকে অংশগ্রহণ করছেন তরুণ এ তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা।

রাশেদুল মাজিদ বলেন, সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী এইবারের বেসিস নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এতো প্রার্থীদের অংশগ্রহণ এবারই প্রথম। সদস্যদের মধ্যেও যাচাইবাচাই করে যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচিত করার আকাঙ্ক্ষা লক্ষ্য করছি। আমার ধারণা যে প্রার্থী বেসিসকে সদস্যবান্ধব সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে সরকারের দেয়া সুবিধার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করতে পারবে, প্রবীণ, প্রতিষ্ঠিত সদস্যদের অজ্ঞিতা ও তরুণ মেধাবী সদস্যদের আগ্রহের সমন্বয় ঘটিয়ে সফটওয়্যার ব্যবসার জন্য লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি করতে পারবে, সর্বোপরি বাংলদেশে সম্ভাবনাময় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশীয় কোম্পানীগুলোর স্বার্থ সংরক্ষণে নীতিমালা প্রণয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে সে সকল প্রার্থীকেই এবার সদস্যরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন এসকল বিষয়ে অবদান রাখার ক্ষেত্রে আমার সক্ষমতা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন,আমাদের ইন্ডাস্ট্রি যেভাবে বেড়ে ওঠার কথা, সে রকমভাবে বেড়ে ওঠেনি। এই কাজ না হওয়ার জায়গাটিতে আমি কাজ করতে পারব বলে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। সরকার এবং দেশীয় কম্পানিগুলোর মধ্যে পলিসি গত যে সমস্যা আছে সে বিষয়গুলো নিয়ে আমি কাজ করতে চাই।

রেইজ আইটি সল্যুশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, দেশিয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা সরকারের কাছে ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা। আমাদের দেশিয় প্রতিষ্ঠানসমূহ আন্তর্জাতিক মানের সেবা প্রদান ও সফটওয়্যার প্রস্তুত করতে সক্ষম, সফটএক্সপোর মাধ্যমে দেশিয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানসমূহের ওপর আস্থা বহুগুণ বাড়বে বলেই বিশ্বাস আমার। আর দেশিয় প্রতিষ্ঠানসমূহ শক্তিশালী হলে খুব সহজেই তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বহুল প্রতীক্ষিত ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় অর্জন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, নতুন মেয়াদে কমিটির সামনে চ্যালেঞ্জগুলো হবে ইন্ডাস্ট্রির স্কিল ডেভলপ (দক্ষতা বৃদ্ধি) করা। ফান্ডিংয়ের যে সমস্যা রয়ে গেছে, এটিকে ফোকাস করে যারা এগিয়ে যাওয়ার পথে রয়েছেন তাঁদের সহযোগিতা করা। বেসিস কে দেশের সকল আইটি কম্পানির কাছে আস্থার জায়গাতে নিয়ে যাওয়া।

বিডি২৪লাইভ/এমএম/আরআই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: