প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

আরমান হোসেন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

একাদশ সংসদ নির্বাচন

ইসি জুড়ে বইছে নির্বাচনী আবহ

১৩ আগস্ট, ২০১৮ ১৩:২৪:২৭

ছবি: ফাইল ফটো

ডিসেম্বরের শেষার্ধে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করছে ইসি। সেক্ষেত্রে অক্টোবরের শেষে কিংবা নভেম্বরে প্রথম সপ্তাহে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সেই লক্ষ্যে আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ ও নির্বাচনি সরঞ্জাম কেনার কাজ শুরু করেছে ইসি সচিবালয়। তারই ধারাবাহিকতায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জুড়ে বইছে জাতীয় নির্বাচনের আবহ।

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া আসন অনুসারে ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। সিডি আকারে ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজও এগিয়ে চলছে।

তিনি আরো বলেন, তফসিল ঘোষণার এখনো যে সময় আছে এরমধ্যে ইসি সচিবালয় কেনাকাটাসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবে। যদি না পারে সেক্ষেত্রে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কাউন-ডাউন শুরু।

আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা প্রণয়ন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে ৩শ আসনের জন্য পৃথকভাবে আসনভিত্তিক ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে। ইসি সচিবালয় এই ভোটার তালিকার সিটি প্রস্তুত করছে। কয়েকদিনের মধ্যেই এগুলো নির্বাচনী এলাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এরপরে দাবি-আপত্তি গ্রহণ করা হবে।

ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪০ হাজারের মতো ভোটকেন্দ্র হতে পারে। ৩য় সংসদীয় আসনের সমতল এলাকায় ৩৯ হাজার ৩৮৭টি এবং পার্বত্য এলাকায় ৬১৩টি ভোট কেন্দ্র থাকছে। ভোটকক্ষ হবে প্রায় দুই লাখ।

ভোটকেন্দ্রের নীতিমালা অনুযায়ী, গড়ে আড়াই হাজার ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকেন্দ্র এবং গড়ে ৬০০ পুরুষ ভোটারের জন্য ও ৫০০ নারী ভোটারের জন্য একটি করে ভোট কক্ষ নির্ধারণ করতে হবে।

গত ৫ আগস্ট ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এসব ভোটকেন্দ্রের বিষয়ে আগামী ১৯ আগষ্ট পর্যন্ত দাবি-আপত্তি জানানো যাবে। ৩০ আগষ্ট এসব দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি করে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচনী সরঞ্জাম ক্রয়ের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে

ইসি কর্মকর্তারা জানান, সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের জন্য ৩৪ লাখ ৪০ হাজার স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ৬ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ স্ট্যাম্প প্যাড, ১৭ হাজার ৪২০ কিলোগ্রাম লাল গালা, ৫ লাখ ৭৮ হাজার অফিসিয়াল সিল, ১১ লাখ ৫৬ হাজার মার্কিং সিল, ৮৭ হাজার ১০০ ব্রাশ সিল, ৬ লাখ ৬৫ হাজার অমোচনীয় কালীর কলম কেনা হবে। এছাড়া প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার রিম কাগজ প্রয়োজন হবে। এগুলো ক্রয়ের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে।

ক্রয় কমিটির প্রধান খোন্দকার মিজানুর রহমান বলেন, আমরা কেনাকাটার জন্য ইতোমধ্যে ওয়ার্ক অর্ডার দিয়েছি। মালামাল সংগ্রহের কাজও শুরু হয়েছে।

বিডি২৪লাইভ/এএইচআর

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: