প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ

‘চামড়া সিন্ডিকেট কারা করেছে’ জানালেন ট্যানার্স সভাপতি

২৫ আগস্ট, ২০১৮ ১৫:৪৫:০০

ছবিঃ সংগৃহীত

এবার কোরবানিতে অধিকাংশই জবাই হয়েছে দেশি গরু। ফলে ভালো ও উন্নত মানের চামড়া পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছিলেন ট্যানারি মালিকরা। তবে তারা সরকার নির্ধারিত দামে পশুর চামড়া কেনার কথা বললেও পাড়া-মহল্লার মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বলেছিলেন, তারা ভালো দাম পাচ্ছেন না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণ করে কমদামে চামড়া ক্রয় করা হচ্ছে।

এদিকে চামড়ার দাম নিয়ে ট্যানারি মালিকরা কোনো সিন্ডিকেট করেননি বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহিন আহমেদ। বলেছেন, ‘পাড়া-মহল্লায় রাজনৈতিককর্মী এবং ক্লাবগুলোই এই সিন্ডিকেট করেছে।’

শনিবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর ধানমন্ডিতে অ্যাসোসিয়েশন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

শাহিন আহমেদ বলেন, ‘পাড়া-মহল্লাভিত্তিক সিন্ডিকেট হয়। এখানে দেখা যায়, রাজনৈতিক কর্মীবাহিনী, সামাজিক ক্লাবভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠন এলাকাভিত্তিক চামড়ার দাম তারা নিয়ন্ত্রণ করে। তারা যদি ২০০-৩০০ টাকা করে চামড়া ক্রয় করে, ট্যানারি মালিকদের এখানে কী করার আছে?’

এ সময় তিনি বলেন, ‘আপনারা কাঁচা চামড়া লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করুন। ট্যানারির প্রতিনিধিরা এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মধ্যে আড়ৎদারদের কাছে গিয়ে চামড়া নিয়ে আসবে।’

চামড়া ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি বলেন, ‘দুই থেকে তিন মাস চামড়া সংগ্রহ করে রাখা যায়। ব্যবসায়ীরা উপযুক্ত দাম পাবেন। পাশাপাশি আমাদের বেঁধে দেয়া দামের মধ্যেই আমরা চামড়া ক্রয় করব। লবণ দিয়ে ভালোভাবে সংরক্ষণ না করলে সেই চামড়া নেয়া যাবে না।’

পাচার রোধে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘এক মাস অন্তত সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করা হোক, যাতে কঠোরভাবে চামড়া পাচার রোধ করা যায়।’

শাহিন আহমেদ বলেন, ‘কিছুদিন হয়েছে নতুন জায়গায় ট্যানারি নেয়া হয়েছে। ট্যানারি মালিকদের হাতে মূলধন কম। ১১৩টি ট্যানারি স্থান্তরিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪০টি ট্যানারি পুরোপুরি উৎপাদনে গেছে, বাকিগুলো যেতে পারেনি।’

সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনে তিনি বলেন, ‘সার্বিক অর্থে পরিবেশবান্ধব শিল্পনগরীর আশায় সেখানে গিয়েছি। কিন্তু ওখানে আসলে আমরা যে বিনিয়োগ করেছি, সেটা ভুল বিনিয়োগ বলেই এখন মনে করছি।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, গত বছরের ৪০-৪৫ শতাংশ চামড়া এখনো বিক্রি হয়নি। তবুও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ীই এ বছর কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করা হবে।

বিডি২৪লাইভ/ওয়াইএ

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: