প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

খালেদার মুক্তির দাবি

প্রেসক্লাবে বিএনপির কর্মসূচি শুরু

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১১:১২:০০

ছবিঃ প্রতীকী।

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলার বিচারিক আদালত পরিত্যক্ত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরের প্রতিবাদে ও মুক্তির দাবিতে পূর্ব ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু হয়েছে দলটির।

সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল বেলা ১১টা থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি শুরু হয়। যা চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। অন্যদিকে দেখা গেছে, সকাল ৯টা থেকেই নেতাকর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ। মানববন্ধনে অংশ নিতে জড়ো হয়েছেন এসব বিএনপি নেতাকর্মীরা।

এই মানববন্ধনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতারা অংশ নিয়েছেন।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ঢাকাসহ সারা দেশের সকল জেলা ও মহানগরে মানববন্ধন এবং বুধবার ঢাকাসহ সকল জেলা এবং মহানগরে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি ঘোষণা করে দলটি।

ঢাকায় রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন প্রাঙ্গণ অথবা গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রতীকী অনশনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছে দলটি।

এর আগে রবিবার নয়াপল্টনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট সরকার গণবিচ্ছিন্ন হতে হতে জনগণের কাছ থেকে দূরে সরে গেছে। সেজন্য একমাত্র পুলিশই আওয়ামী সরকারের ‘লোকাল গার্ডিয়ান’ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। শেখ হাসিনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়েই দেশের নিয়ন্ত্রণ মজবুত রাখতে চাচ্ছেন।

বিএনপি নেতাকর্মীরা লক্ষাধিক মামলায় জর্জরিত দাবি করে তিনি বলেন, বিভিন্নভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে বিরোধী দলকে দমনের কৌশল অবলম্বন করেছে সরকার। সরকার পাগলের মতো বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছে। এমনকি পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব থাকাকালীনও কয়েক জনের নামে মামলা দেয়া হচ্ছে। মৃত ব্যক্তির নামেও মামলা দিচ্ছে তারা।

এটা কোন ধরনের মামলা? এ সময় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী বলেন, বাংলাদেশ নামক ‘পুলিশ রাষ্ট্রটি’ এখন শাসিত হচ্ছে এমন এক ব্যক্তি দিয়ে, যার ক্রোধানলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দেশজুড়ে চলছে এখন গায়েবি মামলার ছড়াছড়ি। মৃত ব্যক্তিকেও এখন ককটেল ছুড়ে মারতে দেখছে পুলিশ।

বিডি২৪লাইভ/ওয়াইএ

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: