এ আর রাশেদ

ইবি প্রতিনিধি

দলীয় কর্মীকে পিটিয়ে আহত করল ইবি ছাত্রলীগ

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১২:৪১:৩৫

ছবি: প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের এক কর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে সভাপতি গ্রুপের কর্মীরা। শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহের বকুলতলা নামক স্থানে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভূগী ওই ছাত্রলীগ কর্মীর নাম এনাম মিরাজ। সে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির উপ-মানব উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।

মারধরের পর আহত মিরাজকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিরাজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাবেক কর্মী বাংলা বিভাগের ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বেলাল হোসেন বসে চা খাচ্ছিলেন। এসময় বেলাল ও মিরাজের মধ্যে সম্প্রতি বেলালের একটি স্কুলে চাকুরি হওয়ার বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বেলাল মিরাজকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। পরে বেলাল তার আত্মীয় ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী রফিকের কাছে বিষয়টি জানায়।

এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় মিরাজকে একা পেয়ে রফিক তার বন্ধু ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন গ্রুপের কর্মী রিজভির উপস্থিতিতে গোলাম মোস্তফা, মাজহারুল ও আল আমিন মিলে তাকে বেধড়ক মারধর করে। এসময় তারা মিরাজকে রড দিয়ে পেটাতে থাকে। এক পর্যায়ে মিরাজ আহত হয়ে পড়লে তারা চলে যায়। এরপর তার আত্মীয় স্বজনরা খবর পেয়ে এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভূগী মিরাজের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, ‘গত পরশুদিন সন্ধ্যায় আমি ও বেলাল বসে চা খাচ্ছিলাম। এসময় বেলাল সম্প্রতি একটি স্কুলে চাকুরী পাওয়ার বিষয়টি জানায় এবং সে বলে, ‘আমি ছাত্রদল করেও ছাত্রলীগের তদবিরে চাকুরী পেয়েছি।’ এসময় আমি তাকে বলি যে, ছাত্রলীগকে নিয়ে বাজে মন্তব্য না করতে। এরপর আমাদের মধ্যে একটু কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বেলাল আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। এরপর গতকাল সন্ধ্যায় বেলালের আত্মীয় রফিক ও তার বন্ধু রিজভি, গোলাম মোস্তফা, জুলকার নাইম (বিবাহিত), মাজহারুল (বিবাহিত) ও আল আমিন আমাকে একা পেয়ে ব্যাপক মারধর করে। এসময় তারা ছুরি দিয়ে আমার চোখে আঘাত করে এবং রড দিয়ে পায়ে মারে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি শোনার পর আমি গিয়ে সবার সাথে কথা বলে মিমাংসা করে দিয়েছি।’

বিডি২৪লাইভ/এমআর

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: