আবু হানিফ হাসান

নোয়াখালি প্রতিনিধি

হাতিয়ার দুঃখ মেঘনা

১৪ অক্টোবর, ২০১৮ ০৬:০০:০০

ছবি: প্রতিনিধি

নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা উপকূলে অব্যাহত নদী ভাঙ্গনে বিলিন হচ্ছে বিস্তৃত জনপদ। ভাঙ্গনের কবলে সিডিএসপি নির্মিত বেড়িবাঁধটিও। ফলে আতঙ্কে নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা। দ্রুত নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ভাবে ব্লক নির্মাণের দাবি জানান স্থানীয়রা।

বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বয়ারচর, চাতলা খাল এলাকার সাড়ে ৩ কিলোমিটার জুড়ে মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন। নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে এখানকার কয়েক হাজার হেক্টর আবাদি জমি ও শত শত বসত বাড়ি।

নদীর করাল গ্রাসে বিলিন হতে যাচ্ছে সিডিএসপি নির্মিত বেড়িবাঁধটিও। তাই চিন্তার রেখা দেখা দিয়েছে স্থানীয় ভূমিহীনদের মাঝে। বেড়িবাঁধটি যদি ভেঙ্গে যায় তাহলে মানবিক বিপর্যয় ঘটবে মেঘনার পাড়ে। পরিবার পরিজন নিয়ে কোথায় গিয়ে উঠবে ভূমিহীনরা তা নিয়ে চরম আতঙ্ক স্থানীয়দের। নদী ভাঙ্গন রোধ করা না গেলে সমূদ্রের জোয়ারের তোড়ে বেড়ি বাঁধটি নদী গর্ভে বিলিন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

চাতলা খাল গ্রামের আরিফুল ইসলাম জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় এমপি আয়েশা আলী কাছে একাধিক আবেদনের পর বেড়িবাঁধ রক্ষায় সিডিএসপির মাধ্যমে জিআই ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পানির ঢেউয়ের সাথে এই জিআই ব্যাগগুলো ভেসে যাচ্ছে। ফলে বেড়ি বাঁধের বাকি অংশটুকুও যে কোন সময় নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারে। ভাঙ্গন রোধে স্থায়ীভাবে ব্লক নির্মাণের দাবি জানান তারা।

নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন জানান, চাতলা খাল এলাকায় নদী ভাঙ্গন ও বেড়িবাঁধটি রক্ষায় আমরা একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। যা প্রক্রিয়াধীন আছে। বরাদ্ধ পেলে যথা সময়ে নদী ভাঙ্গন রোধে কাজ শুরু করা হবে।

এ ব্যাপারে এমপি আয়েশা আলী জানান, বেড়িবাঁধটি ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য আপাতত জিআই ব্যাগের ব্যবস্থা করেছি। ওই এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ীভাবে ব্লক নির্মাণের পরিকল্পনা আছে। সহসায় সেখানে ব্লক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পদ রক্ষা ও স্থানীয়দের জান-মালের নিরাপত্তায় সরকার ভাঙ্গন রোধে কার্যকরী প্রদক্ষেণ নেবে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

বিডি২৪লাইভ/এমকে

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: